shono
Advertisement
Kolkata Police

কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার ছক! বড়সড় প্রতারণাচক্রের পর্দাফাঁস লালবাজারের

এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত কতজনের থেকে এরা টাকা হাতিয়েছে, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
Published By: Kousik SinhaPosted: 12:03 AM Jul 12, 2026Updated: 12:03 AM Jul 12, 2026

বড় সংস্থার নামে লোন দেওয়ার টোপ! বড় চক্রের পর্দাফাঁস করল লালবাজার। খাস কলকাতায় রীতিমতো ভুয়ো কল সেন্টার খুলে ওই চক্র চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ। গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মোবাইল, ল্যাপটপ।

Advertisement

তদন্তে নেমে পোর্ট ডিভিশনের সাইবার সেল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে প্রতারকদের ডেরার হদিশ পায়। এরপরেই মেটিয়াব্রুজ থানা ও সাইবার সেলের অফিসারদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, কম সুদে চটজলদি লোন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা চলছিল দিনের পর দিন। মেটিয়াব্রুজ থানা এবং পোর্ট ডিভিশনের সাইবার সেলের যৌথ অভিযানে বউবাজার ও পাটুলি থানা এলাকা থেকে ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত মোট ১০ জন প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মেটিয়াব্রুজ থানার এক বাসিন্দা সম্প্রতি একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীর দাবি, 'টাটা ক্যাপিটাল ফাইন্যান্স' কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে তাঁকে ২ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। এমনকী বিশ্বাস অর্জন করতে প্রতারকরা টাটা ক্যাপিটালের জাল নথিপত্র এবং একটি ভুয়ো ডিমান্ড ড্রাফটও তৈরি করেছিল। এরপর প্রসেসিং ফি, ইন্স্যুরেন্স চার্জ এবং ডকুমেন্টেশন ফি-র নামে দফায় দফায় ওই মহিলার কাছ থেকে টাকা চাওয়া হয়। প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে অভিযোগকারী দফায় দফায় মোট ২৫,৪৫০ টাকা পাঠান। কিন্তু কোনও লোন তিনি পাননি! এরপরেই প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে মেটিয়াব্রুজ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

তদন্তে নেমে পোর্ট ডিভিশনের সাইবার সেল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে প্রতারকদের ডেরার হদিশ পায়। এরপরেই মেটিয়াব্রুজ থানা ও সাইবার সেলের অফিসারদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। গত ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে বউবাজার থানা এলাকার দুটি ভিন্ন ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। লোন দেওয়ার নামে সেখানে রমরমিয়ে চলছিল দুটি ভুয়ো কল সেন্টার। ঘটনাস্থল থেকেই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে এই চক্রের জাল আরও গভীরে ছড়ানো। এরপর তাদের বয়ানের ভিত্তিতে পাটুলি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুধীর মাহাতো নামে আরও এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয় । এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত রয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত কতজনের থেকে এরা টাকা হাতিয়েছে, তা জানতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ৪৮টি কিপ্যাড মোবাইল ফোন, ১টি স্মার্টফোন, ১টি ল্যাপটপ, ৬টি সিম কার্ড, ২টি জাল রবার স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি ফোন নম্বরও।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement