মাতলা নদীর চর দখল করে ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার (Saokat Molla) ছেলে ইমরান মোল্লা বিরুদ্ধে। প্রায় ১০ একর জমির উপরে গড়ে উঠেছে এই আলিশান ক্যাফে। এবার এই ক্যাফেতে নোটিস দিল প্রশাসন। আগামী ১৮ জুন এই জমি ও ক্যাফের কাগজপত্র নিয়ে ইমরানকে এসডিও অফিসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, নথিপত্র বৈধ না হলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হবে।
শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার রাজকীয় ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় ম্যানগ্রোভ কেটে এই ক্যাফে তৈরি করা হয়েছে। এই ক্যাফে সাজানো হয়েছে প্রায় কয়েক কোটি টাকা খরচ করে। রাজ্যে পালাবদলের পর শওকত-পুত্রের এই ক্যাফে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ২ দিন আগে ছেলে ইমরানকে নিয়ে শতকত মোল্লাকে খুঁজতে এই ক্যাফেতে গিয়েছিল পুলিশ। এবার সেই ক্যাফেতে নোটিস দিল জেলা প্রশাসন। গতকাল জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ওই ক্যাফেতে নোটিস টাঙিয়ে আসে প্রশাসনের আধিকারিকরা। আগামী ১৮ জুন ইমরানকে এসডিও অফিসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে। শুধু ইমরানের ক্যাফেতেই নয়, মাতলা নদীর চর বুজিয়ে গড়িয়ে ওঠা এরকম ৯-১০টি ক্যাফে ও নির্মাণে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
ভাঙড়ের বিস্ফোরণ কাণ্ডে প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। তারই ছেলের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে নদীর চর দখল করে ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তাদের ফিশারি দখল করে তৃণমূলের লোকজন তা বিক্রি করে দিয়েছে। ৬-৭ লক্ষ টাকায় জমিগুলি বিক্রি হয়েছে। তারপর সেখানে তৈরি হয়েছে ক্যাফে ও বেআইনি নির্মাণ। একটি বেসরকারি নার্সিহোম তৈরির জন্য ৪০-৫০ বিঘা জমি দখলেরও অভিযোগ উঠেছে।
