প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কর্মসূচির সম্প্রচার শেষ হয়ে যাওয়ার পরও স্ক্রিনে বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশের সম্প্রচার দেখানোয় বিতর্ক ছড়াল তমলুক ও হলদিয়ায়। শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গের ছ'টি অমৃত স্টেশনের উদ্বোধন হল। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক ও হলদিয়া স্টেশন। তমলুক স্টেশন উদ্বোধনের সময়ে কলকাতা থেকে সরাসরি সরকারি কর্মসূচি যে টিভি স্ক্রিনে দেখানো হচ্ছিল সেখানেই দেখা যায় ব্রিগেডের বিজেপির দলীয় অনুষ্ঠানও। আর তাতেই উঠেছে বিতর্ক। একই বিতর্ক ছড়ায় হলদিয়াতেও।
সরকারি অনুষ্ঠানের পরে বিজেপির ব্রিগেডের সমাবেশের সম্প্রচার বেশ কিছু সময় চলে। আর তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কীভাবে বিজেপির রাজনৈতিক সভা দেখানো হচ্ছে রেলের টিভিতে। বিতর্ক উঠতেই যদিও তড়িঘড়ি রেলের আধিকারিকরা সেই সম্প্রচার বন্ধ করে দেন। এমনকী বিষয়টি যে ভুলবশত হয়েছে তাও স্বীকার করে নেয় রেল। রেলের আধিকারিক ললিতকুমার পাণ্ডে জানান, বিষয়টি ভুলবশত হয়েছে।
পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি তাম্রলিপ্ত পুরসভার পুরপ্রধান-সহ তমলুকের বিধায়ক সৌমেন মহাপাত্রর। অন্যদিকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তমলুকের বিজেপি নেতা তথা তমলুকের প্রাত্তন বিধায়ক অশোক দিন্দা, ময়নার প্রাক্তন বিধায়ক তথা সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারী সংগ্রাম দোলুই, তুমলুকের বিজেপি নেতা সুকান্ত চৌধুরি। রেলের অনুষ্ঠান উপস্থিতি ও ব্রিগেডের অনুষ্ঠান সম্প্রচার প্রসঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহসভাপতি ও কাউন্সিলর চঞ্চল খাঁড়া বলেন, "বিজেপি সরকারি অর্থ খরচ করে ভোটের প্রচার চালাতে এসেছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই আসবে।" অন্যদিকে, এদিন হলদিয়ার হাতিবেড়িয়ার পুনর্নির্মিত স্টেশনের ভার্চুয়াল উদ্বোধন হয়। সেখানে প্রথম ভিআইপি আসনে বসে থাকতে দেখা যায় বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের। তা নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল।
