এখনও মেটেনি দেশজুড়ে চলা গ্যাসের সংকট (LPG Cylinder Crisis)। যার প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও। এসওপি লাগু হলেও রান্নার গ্যাস পেতে একেবারে হিমশিম অবস্থা আমআদমির। সকাল হতেই গ্যাসের লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এরমধ্যেই রানিগঞ্জের এক গ্যাস ডিলারের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ সামনে আসছে। গ্রাহকদের দাবি, বুকিং করার পর মোবাইলে মেসেজ আসছে যে গ্যাস ডেলিভারি হয়ে গিয়েছে, কিন্তু বাস্তবে কোনও সিলিন্ডার গ্রাহকের বাড়িতে যাচ্ছে না। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আজ রবিবার তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ওই গ্যাস ডিলারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রাহকরা। প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে ডিজিটাল জালিয়াতরা? নাকি মানুষের দুর্দশার সুযোগ চলছে কালোবাজারি!
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে রান্নার গ্যাসের জন্য হন্য হয়ে ঘুরতে হচ্ছে। এমনকী রবিবার সকাল থেকেও গ্যাস পেতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু এরপরেও গ্যাস পাওয়া যায়নি। বরং খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় এক গ্রাহক মুনমুন ঘোষ অভিযোগ করে বলেন, ''শনিবার বলা হয়েছিল গ্যাস আজ রবিবার পাওয়া যাবে। সেই মতো পেমেন্টও করে দেওয়া হয়। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে দোকান বন্ধ। গ্যাস পাওয়া যাবে না।'' ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ ওই গ্রাহক। তবে এরমধ্যেই গ্রাহকদের ফোনে ঢুকছে 'রহস্যময়' একটি মেসেজ! যা নিয়ে এদিন একেবারে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
স্থানীয় এক গ্রাহকের দাবি, "আমি গত মাসেও গ্যাস বুক করেছি, এই মাসেও করেছি। আমার এইচপি অ্যাপে দেখাচ্ছে গ্যাস ডেলিভারি হয়ে গেছে। মোবাইলেও মেসেজ আসছে। কিন্তু আমি তো কোনও সিলিন্ডার পাইনি!'' ওই গ্রাহকের প্রশ্ন, বুকিং করা গ্যাসটা রিসিভ করল কে? বুকিং করা গ্যাস অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলা হচ্ছে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ওই ব্যক্তি। যদিও এই বিষয়ে ডিলারের পক্ষ থেকে কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যদি গ্যাস না-ই আসে, তবে ডিজিটাল সিস্টেমে কেন তা 'ডেলিভারড' দেখানো হচ্ছে? এই গরমিলের পেছনে বড় কোনও চক্র কাজ করছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এমনকী সাইবার
