শেষ হয়েছে জনগণনায় অনলাইনে 'সেলফ এনুমারেশন' পর্ব। এবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাইয়ের কাজ করবেন জনগণনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সেলফ এনুমারেশনে রাজ্য সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মালদহ জেলা। জেলার মোট হাউসহোল্ড বা বাড়ির ৯৬.৩৯ শতাংশই সেলফ এনুমারেশন সেরে ফেলেছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই কাজে সবথেকে পিছিয়ে রয়েছে পশ্চিম বর্ধমান জেলা। সেখানে মাত্র ৮৬.৬৯ শতাংশ সেলফ এনুমারেশন সম্পন্ন হয়েছে। তালিকার শেষের দিকে রয়েছে কলকাতা ও পুরুলিয়া জেলা। এই দুই জেলায় সেলফ এনুমারেশন হয়েছে যথাক্রমে ৮৭.০১ শতাংশ ও ৮৭.৪৯ শতাংশ।
এই প্রথম জনগণনার কাজ হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। যার মধ্যে ছিল সেলফ এনুমারেশন। এর মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিবদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছেন।
সোমবার পর্যন্ত রাজ্যের রিপোর্ট থেকে এই তথ্য মিলেছে। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, রাজ্যে মোট সেল এনুমারেশন হয়েছে ৫৩ লক্ষ ১৩ হাজার ৫৮৯টি। শতাংশের হিসেবে ৯৩.৮৪। তালিকার শীর্ষে রয়েছে মালদহ। এছাড়া মুর্শিদাবাদ ৯৪.৯০ শতাংশ, দক্ষিণ দিনাজপুর ৯৪.৬৫ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগনা ৯৪.২৮ শতাংশ, নদিয়া ৯৪.২২ শতাংশ ও কোচবিহার ৯৪.১৫ শতাংশ সেলফ এনুমারেশন সম্পন্ন হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় সেলফ এনুমারেশন সম্পন্ন হয়েছে ৯২.৯৬ শতাংশ। ৯০ শতাংশের নীচে পশ্চিম বর্ধমান, কলকাতা ও পুরুলিয়া ছাড়াও রয়েছে দার্জিলিং জেলাও। দার্জিলিংয়ের সেলফ এনুমারেশন সম্পন্ন হয়েছে ৮৮.৯৯ শতাংশ।
বলে রাখা প্রয়োজন, এই প্রথম জনগণনার কাজ হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। যার মধ্যে ছিল সেলফ এনুমারেশন। এর মাধ্যমে নাগরিকরা নিজেদের তথ্য নিজেরাই নথিবদ্ধ করার সুযোগ পেয়েছেন। আর তা সবটাই হয়েছে অনলাইনের মাধ্যমে। ১৫ দিন ধরে এই কাজ হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই কাজে সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এখনও পর্যন্ত শীর্ষস্থানে রয়েছে। রবিবারই স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের তরফে এই সংক্রান্ত পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। কিন্তু এবার কী করণীয়?
জানা গিয়েছে, অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন শেষে এবার জনগণনার কাজে যুক্ত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। যাঁরা অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন করতে পারেননি, তাঁদের তা করে দেবেন ওই কর্মীরা। পাশাপাশি অনলাইনে সেলফ এনুমারেশন করা তথ্যও যাচাই করে দেখবেন কর্মীরা। এর পর আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আরও এক দফা তথ্য সংগ্রহ করা হবে জনগণনার। সেই পর্বে বাড়ির প্রত্যেক সদস্যর বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হবে। মোট ৪০ টি প্রশ্নমালা নিয়ে যাবেন কর্মীরা। সেই তথ্য জনগণনার কর্মীরাই নিবন্ধিত করবেন বলে জানা গিয়েছে।
