shono
Advertisement

Breaking News

Alipurduar

একরত্তির নাকে বেলুন! ব্যর্থ হয়ে ফেরায় মেডিক্যাল কলেজ, ব্লকের 'ছোট' হাসপাতালেই প্রাণরক্ষা

একরত্তি শিশুর নাকে ঢুকে গিয়েছিল বেলুন! শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় প্রাণসংকটের অবস্থা হয়! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা হয়নি বলে অভিযোগ। আতঙ্কিত পরিবার ওই শিশুটিকে নিয়ে আতান্তরে পড়ে গিয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্লক হাসপাতালে। সেখানেই ডাক্তারবাবু তার প্রাণ বাঁচালেন।
Published By: Suhrid DasPosted: 02:41 PM Mar 21, 2026Updated: 03:07 PM Mar 21, 2026

একরত্তি শিশুর নাকে ঢুকে গিয়েছিল বেলুন! শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় প্রাণসংকটের অবস্থা হয়! জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা হয়নি বলে অভিযোগ। আতঙ্কিত পরিবার ওই শিশুটিকে নিয়ে আতান্তরে পড়ে গিয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্লক হাসপাতালে। সেখানেই ডাক্তারবাবু তার প্রাণ বাঁচালেন। অস্ত্রোপচারের পর নাক থেকে বেরোল ওই আটকে থাকা বেলুন। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন বাবা-মা ও পরিবার।

Advertisement

জানা গিয়েছে, কোচবিহার জেলার পুণ্ডিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা ওই পরিবার। ঘটনাটি দিন কয়েক আগের। ওই সন্ধ্যায় বাড়িতে ২ বছর নয়মাসের শিশুকন্যাকে রেখে তার মা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে গিয়েছিলেন। পরে বাড়ি ফিরে আঁতকে উঠেছিলেন তিনি। দেখা যায়, ছোট্ট শিশুর নাকের ভিতর একটি বেলুন ঢুকে গিয়েছে। সেটি টান দিয়েও বার করা যায়নি। পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত পুণ্ডিবাড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকে তাঁদের কোচবিহার এমজেএন মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে দ্রুত এক্সরে করা হলেও সেখানে চিকিৎসা হয়নি! বরং শিশুকন্যাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কথা চিকিৎসক জানিয়েছিলেন!

ওই শিশুকন্যাকে জেলারই একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই হাসপাতাল থেকে অস্ত্রোপচারের কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকাও দাবি করা হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল পরিবারের। এরই মধ্যে শিশুটির মায়ের এক নিকট আত্মীয় যশোডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালের চিকিৎসক প্রণব মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সব কিছু শুনে এক্স রে রিপোর্ট নিয়ে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কথা মতো ওই শিশুকে যশোডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ওই দু'বছর নয় মাসের শিশু কন্যার নাকের ভিতর থেকে বেলুনের টুকরোটি বার করা হয়। সুস্থ আছে ওই রত্তি। স্বস্তির শ্বাস নিয়েছেন শিশুর বাবা-মা।

আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) ২ ব্লকের বিএমওএইচ অর্পণ বিশই বলেন, "এটা বড় কোনও অস্ত্রোপচার নয়। এমজেএন মেডিক্যাল কলেজের বিষয়টি আমি তেমন কিছু জানি না। তবে আমাদের এখানে অপারেশন হয়েছে। শিশুটির নাক থেকে বেলুন বের করা হয়েছে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement