shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

'ঘরের ছেলে' এখন ভবানীপুরে! নন্দীগ্রামবাসীকে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, 'শুভেন্দু আছে, থাকবে'

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার নন্দীগ্রামের জনসভা থেকে শুভেন্দু বললেন, '২০০৩ সাল থেকে যেভাবে পাশে পেয়েছেন, এখনও পাবেন।'
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:44 PM May 24, 2026Updated: 06:09 PM May 24, 2026

'ঘরের ছেলে' এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই গুরুভার নিয়ে রবিবার প্রথম 'ঘর' নন্দীগ্রামে জনসভা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অবশ্য তাঁর আজকের নন্দীগ্রামের সভার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ছাব্বিশের ভোটে এই কেন্দ্রের পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গড় ভবানীপুরে লড়েছেন শুভেন্দু। দুই কেন্দ্রেই বিপুল ভোটে জিতেছেন। নিয়ম মেনে ছেড়ে দিয়েছেন নন্দীগ্রাম আসন। তাতেই এলাকাবাসী চিন্তিত হয়ে পড়েন শুভেন্দু সরে গেলে এখানকার উন্নয়নের কাজ চলবে কীভাবে? রবিবার জনসভা থেকে তাঁদের আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘‘আমি সংবিধানের নিয়ম মেনে একটা আসন রেখে আরেকটা ছেড়েছি। কিন্তু আপনারা বিচলিত হবেন না। আপনাদের শুভেন্দু আপনাদের কাছে আছে, থাকবে। ২০০৩ সাল থেকে যেভাবে আমাকে পেয়েছেন, আজও সেভাবেই পাবেন।''

Advertisement

শুভেন্দু বললেন, ‘‘২০০৬ সালের আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত আপনাদের সঙ্গে আছি। সেসময় দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। ২০০৯ সালে ফিরোজা বিবি উপনির্বাচনে জিতেছিলেন, তখনও এমএলএ ছিলাম না। ২০২১ সালে আপানারা আমাকে এখান থেকে জিতিয়েছেন। সেই জেতানোর ঋণ শোধ করব, আমার উপর ভরসা রাখবেন।নন্দীগ্রামে বিজেপি বীজ থেকে বটবৃক্ষ হয়ে জয়ের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। এখান থেকে তৃণমূল মূলসমেত উপড়ে গিয়েছে। আমার পার্টি অফিস থেকে আগে আপনারা যা যা পরিষেবা পেতেন, এখনও পাবেন।'' 

ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে ৯ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী আর ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর মার্জিন ১৫ হাজারের বেশি। তবে দুটি আসনে একসঙ্গে জনপ্রতিনিধিত্ব করতে পারেন না। তাই ভবানীপুরে জয় উদযাপন করে নন্দীগ্রাম আসন ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আসল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের বুথে হারানোর গরিমা আলাদা, যা তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে স্বর্ণপালকের মতোই। যে জয় তাঁকে বসিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে। তাই 'বলে কি ঘর ভুলে যাওয়া যায়? রবিবার নন্দীগ্রামে সেই ঘরের কথাই বারবার উঠে এল শুভেন্দুর কথায়।

তিনি বললেন, ‘‘২০০৬ সালের আন্দোলন থেকে আজ পর্যন্ত আপনাদের সঙ্গে আছি। সেসময় দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক ছিলাম। ২০০৯ সালে ফিরোজা বিবি উপনির্বাচনে জিতেছিলেন, তখনও এমএলএ ছিলাম না। ২০২১ সালে আপানারা আমাকে এখান থেকে জিতিয়েছেন। সেই জেতানোর ঋণ শোধ করব, আমার উপর ভরসা রাখবেন। নন্দীগ্রামে বিজেপি বীজ থেকে বটবৃক্ষ হয়ে জয়ের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। এখান থেকে তৃণমূল মূলসমেত উপড়ে গিয়েছে। আমার পার্টি অফিস থেকে আগে আপনারা যা যা পরিষেবা পেতেন, এখনও পাবেন। আমার কোনও পরিবর্তন আপনাদের চোখে পড়বে না, নিশ্চিত করে বলছি। ঝড়, বৃষ্টি, শৈত্যপ্রবাহে আমি পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।''

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement