shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

এবার মিলবে পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধান! মঙ্গলেই জোড়া কর্মসূচিতে কার্শিয়াংয়ে শুভেন্দু

মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের প্রশাসনিক স্তরে চরম ব্যস্ততা।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:41 PM Jun 15, 2026Updated: 07:57 PM Jun 15, 2026

মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মঙ্গলবার প্রথম পাহাড় সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরের বিভিন্ন জেলায় গিয়েছেন তিনি। তবে প্রথম পাহাড়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন তিনি। এছাড়া একটি সরকারি অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকমহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ কার্শিয়াংয়ের গোথেল মেমোরিয়াল স্কুলে মুখ্যমন্ত্রীর পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেবেন তিনি। অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে শুরু করে আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড এমন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।

Advertisement

পাহাড়ের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই মুখ, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং এবং সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি এই বৈঠকে থাকবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

এই সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কার্শিয়াংয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে দার্জিলিংয়ের সাংসদ এবং পাহাড়ের তিন বিজেপি বিধায়কের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে পাহাড়ের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই মুখ, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো বিমল গুরুং এবং সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি এই বৈঠকে থাকবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। বিজেপি নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সফর ও বৈঠকের বিষয়ে ইতিমধ্যে তাঁদের অবগত করা হয়েছে, তবে বৈঠকের বিস্তারিত রূপরেখা বা অংশগ্রহণকারীদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও স্পষ্ট নয়। 

মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের প্রশাসনিক স্তরে চরম ব্যস্ততা। সোমবার থেকেই আধিকারিকরা প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত ছিলেন এবং এমন সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে মঙ্গলবার কার্শিয়াংয়ের পাশাপাশি দার্জিলিংয়ে যান চলাচলের নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের স্থায়ী রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, এই সফর তার পরবর্তী ধাপ হতে চলেছে। অন্যদিকে, জিএনএলএফ-এর পাহাড় শাখার তরফে দাবি করা হয়েছে, পাহাড়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন, তা নিরসনের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য—উভয় স্তরেই বিজেপি সরকার থাকায় পাহাড়ের দাবি আদায়ের এটি সেরা সুযোগ বলে মনে করছে তারা। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, যদিও মঙ্গলবারের কর্মসূচির পর ফের তিনি কলকাতা ফিরে যাবেন। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement