রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যুবক। মাথা ও হাতে গুরুতর আঘাত। রক্তের দাগ চলে গিয়েছে ৪০০ মিটার দূরে একটি বাড়িতে। সেই দাগ ধরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। যুবককে এলোপাথাড়ি কোপানোর দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দম্পতিকে। কিন্তু কেন হামলা? অভিযুক্তের স্ত্রীর সঙ্গে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ওই যুবকের সম্পর্ক থাকায় তাঁকে কোপানো হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটির রামচন্দ্রপুর–তারাপুকুর পশ্চিমপল্লি এলাকায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়।
আহত যুবকের নাম মুকেশ সাউ। তিনি বিহারের বাসিন্দা। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, আগরপাড়া স্টেশন সংলগ্ন পানিহাটির ৬ নম্বর রেলগেটের কাছে রামচন্দ্রপুর রাস্তায় বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মুকেশকে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পাশে একটি সাইকেলও পড়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। মুকেশের মাথা ও হাতে আঘাত রয়েছে।
এ দিকে রাস্তায় রক্তের দাগ দেখে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয় অভিযুক্ত দম্পতিকে। তখনই জানা যায়, অভিযুক্ত মেঘনাথ কুণ্ডুর স্ত্রী সোমা কুণ্ডুর সঙ্গে মুকেশের গোপন সম্পর্ক ছিল। বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় মেঘনাথের বাড়িতে যান মুকেশ। সেখানে তিনি বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ, তখনই স্বামী–স্ত্রীর হাতে আক্রান্ত হন তিনি। ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুকেশ। দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
