বাবুল হক, মালদহ: প্রতিবেশীদের বাড়িতে মদ্যপদের নিত্য আনাগোনা। এই ঘটনার প্রতিবাদ করে মালদহে আক্রান্ত দম্পতি। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হবিবপুর থানার ঋষিপুর এলাকায়। আক্রান্তরা হলেন কুনদেব চৌধুরি ও দিপালী চৌধুরি। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কুনদেববাবুকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আঘাত গুরুতর হওয়ায় দিপালীদেবীকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিবারের তরফে ইতিমধ্যেই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
[রমজান মাসের পর উঠে যাবে কংগ্রেস! অধীর দুর্গে শুভেন্দুর হুঙ্কার]
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত প্রতিবেশীর নাম নন্দলাল চৌধুরি। তাঁর বাড়িতেই রয়েছে চোলাই মদের দোকান। বাড়িতেই ব্যবসা ফেঁদে বসেছেন নন্দলালবাবু। এদিকে চোলাই মদের দোকানে নিত্য ভিড় লেগে আছে। পাশের বাড়িটিই কুনদেববাবুদের। প্রতিবেশীর বাড়িতে মদ্যপদের আনাগোনা, হইহল্লা, গালিগালাজের কারণে সমস্যায় পড়েন কুনদেববাবুরা। তাঁদের মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে।এদিকে মদ্যপদের আনাগোনায় পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটে বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে গালিগালাজ। বাড়িতে আত্মীয়রা এলেও মানসম্মান থাকে না। অনেক রাত পর্যন্ত চলে এই অনাচার। শনিবার একপ্রকার বাধ্য হয়েই প্রতিবেশীর বাড়িতে যান চৌধুরি দম্পতি। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। অভিযোগ, সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের উপরে চড়াও হয় নন্দলালের পরিবারের সদস্যরা। দু’জনকেই বেধড়ক মারধর করা হয়। আক্রান্তদের চিৎকারে পাড়ার লোকজন ছুটে আসে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কুনদেববাবুকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে আঘাত গুরুতর হওয়ায় দিপালীদেবীকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত পরিবারের লোকজন। তদন্তে নেমেছে হবিবপুর থানার পুলিশ।
[শপিং মলে গৃহবধূর শ্লীলতাহানি, চাঞ্চল্য ছড়াল বহরমপুরে]
গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সকলেই চান এর একটি মীমাংসা হোক। কেননা, প্রত্যেকের বাড়িতেই ছেলেমেয়ে আছে। পাড়ার মধ্যে চোলাই মদের দোকান থাকলে পরিবেশ যেমন নষ্ট হবে তেমনই ছেলেমেয়েদের উপরে কুপ্রভাব পড়বে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে হবিবপুর থানার পুলিশ। হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে দিপালীদেবীর অবস্থা এখন স্থিতিশীল।
The post প্রতিবেশীর বাড়িতে চোলাই মদের দোকান, প্রতিবাদ করে আক্রান্ত দম্পতি appeared first on Sangbad Pratidin.
