জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায় স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পে এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Lakshmir Bhandar) মতো রাজ্য সরকারের মেগা প্রকল্পের সুবিধা নিতে আবেদন করলেন সিপিএম নেত্রী। সোমবার পুরুলিয়ার কাশীপুর ব্লক কার্যালয়ে সিপিএম নেত্রী লক্ষ্মী রজক লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পেতে ফর্ম জমা দেন। তাঁর সাফ বক্তব্য, তৃণমূলের সঙ্গে আদর্শগত ফারাক থাকলেও দেশবাসী হিসেবে সরকারি প্রকল্পে সুফল পাওয়ার অধিকার তাঁরও রয়েছে। আর সেই কারণেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন জানালেন। তৃণমূল সরকারের এই সুবিধা নিলে দলের অন্দরে বিশৃঙ্খলার কোপে পড়তে হবে না তো? এই প্রশ্নের জবাব অবশ্য তিনি দেননি।
কাশীপুরের বেকো গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটারাঙ্গুনি গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মীদেবী সিপিএমের পার্টি সদস্য। ২০২৩ সালের গ্রাম পঞ্চায়েতে সিপিএমের কাস্তে-হাতুড়ি প্রতীকে তিনি ভোটে লড়াই করেছিলেন। হেরে গেলেও এলাকায় তাঁর জনসংযোগ কর্মসূচি চলছেই। এদিন কাশীপুর ব্লক কার্যালয়ে স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পে নিজে তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আবেদন করলেনই, সেইসঙ্গে একাধিক তরুণীকে তিনি বেকার ভাতার নির্দিষ্ট 'যুব সাথী' প্রকল্পের ফর্ম পূরণেও সহায়তা করেন। সিপিএম নেত্রীর কথায়, "মতাদর্শগত বিষয়ে তৃণমূলের সঙ্গে আমাদের ফারাক। কিন্তু দেশের নাগরিক হয়ে সরকারি প্রকল্পের সুফল কেন নেব না। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের লাইনে দাঁড়িয়েছি।"
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা নিয়ে সিপিএম নেত্রীর কথায়, "মতাদর্শগত বিষয়ে তৃণমূলের সঙ্গে আমাদের ফারাক। কিন্তু দেশের নাগরিক হয়ে সরকারি প্রকল্পের সুফল কেন নেব না। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের লাইনে দাঁড়িয়েছি।"
এই স্বনির্ভর শিবিরে যুব সাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ছাড়াও ভূমিহীন দিন মজুরদের জন্য প্রকল্প রয়েছে। রয়েছে নদী থেকে জল উত্তোলন বিষয়ে সেচ প্রকল্পের সুবিধাও। কয়েকদিন আগে এই জেলার বান্দোয়ানে বিজেপির মণ্ডল নেত্রী বরাবাজারের শিবির থেকে যুব সাথীর জন্য আবেদন করেন। পরে তিনি ভাইরাল হয়ে যান। এবার বিজেপি নেত্রীর পর সিপিএম নেত্রীও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা নিতে লাইনে দাঁড়ালেন।
