কবি লিখেছিলেন-হারিয়ে যাওয়া পথের শেষে নতুন পথের ডাক/ ভাঙা মনও একদিন গড়ে সাহসেরই ফাঁক। হারতে হারতে হতোদ্যম। হতাশাগ্রস্ত ছাত্র-যুব। হতাশামুক্ত করতে পারে নতুন পথ। আর সেই নতুন পথের সন্ধানেই সিপিএমের চিন্তন শিবির হবে কল্যাণীতে। হতাশা কাটাতে 'ভোকাল টনিক' দেবেন কমরেডকুলের নেতারা। মূলমন্ত্র, 'হারতে পারি কিন্তু হারিয়ে যাইনি'। একমাত্র লড়াই-ই দিতে পারে নতুন পথের সন্ধান। আর সেই পথ হল বিরোধী পরিসর দখল। সেই কাজে সফল হতে এখন কবিতাই ভরসা লাল পার্টির।
ভোট ময়দানে ব্যর্থতা চিরসঙ্গী হয়ে গিয়েছে প্রায়। আলোচনা ও আন্দোলনে অতি সক্রিয়ভাবে থাকলেও ভোটবাক্স মুখ ফিরিয়েছে। বারবার একই ফলাফলে হতাশা গ্রাস করেছে লাল পার্টির ছাত্র-যুব নেতাদের। অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। অনীহা 'রোগ' সারাতে টোটকার খোঁজে আলিমুদ্দিন। কল্যাণীর চিন্তন শিবিরে টোটকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন কমরেডকুলের নেতারা। রাস্তায় থাকলেই যে অদূর ভবিষ্যতে কীভাবে সুদিন ফিরবে সেই অঙ্ক হাতেকলমে পাঠ দেওয়া হবে।
সকলে পরিচিত মুখ। রাস্তায় মিলেছে আরও পরিচিতি। লড়াইয়ের ময়দানে ঘুরেফিরে এসেছে তাঁদের নাম। সাধারণের মুখে বারবার উচ্চারিত হয়েছে 'ইনকিলাব' ধ্বনি। কিন্তু ভোট ময়দানে ব্যর্থতা চিরসঙ্গী হয়ে গিয়েছে প্রায়। আলোচনা ও আন্দোলনে অতি সক্রিয়ভাবে থাকলেও ভোটবাক্স মুখ ফিরিয়েছে। বারবার একই ফলাফলে হতাশা গ্রাস করেছে লাল পার্টির ছাত্র-যুব নেতাদের। অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। অনীহা 'রোগ' সারাতে টোটকার খোঁজে আলিমুদ্দিন। কল্যাণীর চিন্তন শিবিরে টোটকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন কমরেডকুলের নেতারা। রাস্তায় থাকলেই যে অদূর ভবিষ্যতে কীভাবে সুদিন ফিরবে সেই অঙ্ক হাতেকলমে পাঠ দেওয়া হবে। তাই প্রতি জেলাকে পার্টির সাংগঠনিক পরিস্থিতির পাশাপাশি গণসংগঠনের হাল-হকিকত নিয়ে সবিস্তার রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপাতত বেশ কয়েকটি জেলার রিপোর্ট হাতে পেয়েছে আলিমুদ্দিন। সূত্রের খবর, তাতে বলা হয়েছে রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকেই সংখ্যালঘুদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক কাজ করছে। এই সম্প্রদায়ের মানুষ বিভ্রান্ত। এই আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি দূর করতে তাঁদের স্বার্থে রাস্তায় নামার পরামর্শ দিয়েছেন জেলার সিপিএম নেতারা। এছাড়াও কলেজ ভোট, শিক্ষক নিয়োগ, হকার উচ্ছেদ, ভোটার তালিকার মতো সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপালে তবেই সাফল্য আসবে বলে মনে করছেন জেলা নেতারা।
