কৃত্রিম মেধার সাহায্যে বদলে দেওয়া হচ্ছে কারও শরীর তো কারও মুখ। এক জনের শরীরে অন্যের মুখ বসিয়ে ডিপফেক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়ো ভিডিও। যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শালীনতার মাত্রা লঙ্ঘন করে। হেভিওয়েট রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব থেকে গ্ল্যামার দুনিয়ার তারকারা 'ডিপফেক'-এর শিকার। সাম্প্রতিক অতীতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডিপফেক ছবি-ভিডিও নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এবার 'ডিপফেক' নিয়ে সরব অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর।
সোশাল মিডিয়ায় কড়া বার্তা ম্রুণালের। ভবিষ্যতে যদি কখনও তাঁর ছবি বিকৃত করা হয় তাহলে আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইনস্টা হ্যান্ডলে শেয়ার করা বক্তব্যকে সতর্কবার্তা হিসেবে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন ম্রুণাল। তাঁর লেখা পোস্ট অনুযায়ী, 'এটিকে আমার আনুষ্ঠানিক নোটিস হিসেবে বিবেচনা করুন। অবিলম্বে এধরনের কুরুচিকর কাজ বন্ধ করুন। এরপরও যদি আমার পরিচয়ের অপব্যবহার করা হয় তাহলে আমি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। আপত্তিকর ছবি ভিডিও বানানো সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।'
ম্রুণালের পোস্ট
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই বার্তা শেয়ার করে 'ডিপফেক' কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করা ব্যক্তিদের উদ্দেশে সতর্কবাণী ম্রুণালের। প্রতিনিয়ত সেলিব্রিটিদের 'ডিপফেক' ভিডিও ও ছবি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু, বর্তমানে এই বাড়বাড়ন্তে উদ্বিগ্ন সেলেবমহল। বিভিন্ন সামাজিকমাধ্যমে ভুয়ো কনটেন্টের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে উদ্বেগও।
সাম্প্রতিক অতীতে রশ্মিকা মন্দানা থেকে ক্যাটরিনা কাইফ, রণবীর সিং, আলিয়া ভাট-সহ একাধিক তারকা 'ডিপফেক'-এর শিকার হয়েছেন। তেইশ সালে রশ্মিকা মন্দানার একটি 'ডিপফেক' ভিডিও ঘিরে নেটপাড়ায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। এই প্রযুক্তিকে 'অত্যন্ত ভয়ঙ্কর' বলে মন্তব্য করেছিলেন এই দক্ষিণী অভিনেত্রী। রশ্মিকাকে সমর্থনের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন, নাগা চৈতন্য-সহ ইন্ডাস্ট্রির বহু সতীর্থ।
