স্টাফ রিপোর্টার, পুরুলিয়া: পণ হিসাবে অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা দাবি করেন স্বামী। কিন্তু বাপের বাড়ি থেকে সেই টাকা দিতে না পারায় গৃহবধূর উপর গত বাইশ বছর ধরে অত্যাচার চলছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু দুই ছেলে ও এক মেয়ের কথা ভেবে তিনি মুখ বুজে সব সহ্য করছিলেন। কিন্ত গত ৮ ফেব্রুয়ারি সেই সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়, যখন ওই বধূকে তার স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ব্যাপক মারধর করে মল, মূত্র খাইয়ে শরীরে ছিটিয়ে দেয়। তারপরেই তিনি গোটা ঘটনা বাপের বাড়িতে জানান। তাঁর বাবা শ্বশুরবাড়িতে এলে তাঁর সামনেই মারধর করা হয়।
[২ লক্ষ টাকা পণ চাই, স্ত্রীর কিডনি ‘বিক্রি’ করে দিল স্বামী!]
পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের সগড়কা গ্রামের এই ঘটনায় স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওই বধূর অভিযোগের ভিত্তিতে রঘুনাথপুর থানার পুলিশ তাদের নামে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, কাশীপুরের মৃগীপাহাড়ি গ্রামে বধূ নির্যাতনের ঘটনায় স্বামী-সহ মোট চার জনের নামে গত মঙ্গলবার অভিযোগ জানানো হয়। অন্যদিকে পুরুলিয়া মফস্বল থানার ঘোঙা গ্রামেও আরেকটি বধূ নির্যাতনের ঘটনায় ওই দিনই স্বামী-সহ মোট ৫ জনের নামে অভিযোগ হয়েছে। স্হানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কাশীপুরের মৃগীপাহাড়ি গ্রামের বাসিন্দা তথা অভিযোগকারী বধূর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করায় তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর ওই বধূ পুলিশের দ্বারস্হ হন।
[নাবালিকা বিয়ে ভণ্ডুল, পুলিশের চাপে পণের টাকা ফেরাল ‘গুণধর’ পাত্র]
