কলেজের প্রজেক্টের জন্য ছবি তুলতে গিয়ে হেনস্থার শিকার চার ছাত্রী। অভিযোগ, বাধা দেওয়ার পর এক ছাত্রীকে চড়, অন্যজনকে চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হয়। কাঠগড়ায় গোবরডাঙা জমিদারবাড়ির সদস্য সৌমিক প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ছাত্রীরা।
তবে পালটা অভিযোগও করেছে জমিদার পরিবারও। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগ, গত ২ জুলাই প্রজেক্টের কাজে গোবরডাঙা জমিদারবাড়িতে গিয়েছিলেন ওই ছাত্রীরা। সেই সময় সৌমিক তাঁদের বাধা দেন। ছাত্রীরা বেরিয়ে আসতে গেলে এক ছাত্রীকে তিনি চড় মারেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, প্রতিবাদ করতে গেলে অপর এক ছাত্রীকে চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
আক্রান্ত এক ছাত্রীর কথায়, "আমরা প্রজেক্টের কাজেই গিয়েছিলাম। কোথাও ছবি তোলা নিষেধ বলে কোনও নোটিস ছিল না। অথচ আমাদের মারধর করা হয়েছে। তাই থানায় অভিযোগ করেছি।" জমিদার পরিবারের অপর এক সদস্য স্বপন প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় বলেন, "সৌমিক মানসিকভাবে অসুস্থ ও চিকিৎসাধীন। ও শুধু ছবি তুলতে বারণ করেছিল। উলটে ওর শরীরেই আঁচড়ের দাগ রয়েছে।"
