দিনভর নেশায় ডুবে থাকত দিনহাটার (Dinhata) 'নরমাংস খাদক' ফিরদৌস আলম। ভবঘুরেকে খুনের পর দেহ বাড়িতে আনতে দেখেছিল পরিবারের সদস্যরা। কলতলায় লাশ ধুতে দেখে আঁতকে উঠেছিল তাঁরা। এরপরই ফিরদৌসকে রিহ্যাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রকাশ্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্তের মানসিক ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও পুলিশের দাবি, সেরকম কোনও সমস্যা নেই তার।
সম্প্রতি কোচবিহারের দিনহাটায় (Dinhata) শ্মশান সংলগ্ন মাঠে ভবঘুরের মুন্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়। তদন্তে নেমে ফিরদৌস আলমের কথা জানতে পারে পুলিশ। সূত্র মারফত পাওয়া খবরে চক্ষুচড়কগাছ দশা হয় পুলিশকর্তাদের। তাঁরা জানতে পারেন, দিন কয়েক আগেই নাকি বাড়ির কলতলায় বসে ভবঘুরের লাশ জলে ঘুয়ে পরিষ্কার করছিল ফিরদৌস। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। উঠে আসে হাড়হিম করা তথ্য। পুলিশের দাবি, খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছে ফিরদৌস। কিন্তু আদৌ নরমাংস সে খেয়েছিল কি না স্পষ্ট নয়।
দিন কয়েক আগেই নাকি বাড়ির কলতলায় বসে ভবঘুরের লাশ জলে ঘুয়ে পরিষ্কার করছিল ফিরদৌস।
জানা গিয়েছে, বরাবরই নেশায় ডুবে থাকত ফিরদৌস। একাধিকবার রিহ্যাবে পাঠানো হয়েছে তাকে। ফিরে এসেও নিজেকে পালটায়নি সে। এলাকায় মারধর, অশান্তিতেও বহুবার নাম জড়িয়েছে তার। কিন্তু ফিরদৌস যে এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে তা ভাবতে পারেনি পরিবারের সদস্যরা। সম্প্রতি একদিন তাঁরা দেখেন, বাড়ির কলতলায় বসে আছে সে। ফিরদৌসকে মৃতদেহ ধুতে দেখে আঁতকে ওঠেন তারা। যদিও মাংস খেতে তারা দেখেনি। এরপর পরিবার-প্রতিবেশীদের সামনে কী করবে বুঝতে না পেরে দেহ নিয়ে বেরিয়ে যায় যুবক। তখনই তাকে রিহ্যাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। পরবর্তীতে প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়টা।
