ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মধ্যমগ্রামে। সেখানের একটি রাসায়ানিক কারখানায় বিধ্বংসী এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণের আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই যে আগুন নেভাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে দমকল কর্মীদের। জানা যাচ্ছে, আরও বেশ কয়েকটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। তবে কীভাবে এই আগুন তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্টসার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম বাদুর দীঘবেরিয়া দু'নম্বর গেট এলাকায় থাকা ওই রাসায়ানিক কারখানায় বিধ্বংসী এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ঘটনার সময় একাধিক শ্রমিক কারখানার কাজ করছিলেন। কিন্তু ঘটনার পরেই আতঙ্কে সবাই বেরিয়ে আসে। ফলে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে জানা যাচ্ছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে প্রথমে দমকলের একটি ইঞ্জিন আসে। কিন্তু পরে ঘটনাস্থলে দমকলের আরও বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন আসে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়ে। একেবারে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা কারখানা। মুহূর্তে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ।
দমকলের দাবি, রাসায়ানিক কারখানা হওয়ায় প্রচুর পরিমাণে সেখানে দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। ফলে মুহূর্তে আগুন ভংকর আকার নেয়। তবে কীভাবে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ড তা এখনও স্পষ্ট নয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেই তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন দমকল আধিকারিকরা। অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর দুই আগেও এই রাসায়ানিক কারখানাতেই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। ফের এই ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন। আতঙ্কে স্থানীয় মানুষজন। অন্যদিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা।
