দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: যাত্রী নিরাপত্তায় ফের বড়সড় প্রশ্নের মুখে ভারতীয় রেল৷ এবার রেল ইঞ্জিন বিভ্রাটে আগুন আতঙ্ক তৈরি হল কলকাতা থেকে অমৃতসরগামী অকালতখত এক্সপ্রেস৷
যাত্রীরা জানিয়েছেন, বুধবার সকালে ডানকুনিতে কলকাতা থেকে অমৃতসরগামী অকালতখত এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন সংলগ্ন জেনারেটর বগি থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখেন যাত্রীরা৷ মুহূর্তেই যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ এদিন সকাল সাড়ে ১১ টায় ডানকুনি ও গোবরা স্টেশনের মাঝে এক্সপ্রেস ট্রেনটির জেনারেটর বগির চাকা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখে গাড়ির চালক গাড়িটিকে দাঁড় করিয়ে দেন৷ তীব্র আতঙ্কে গাড়ির যাত্রীরা অনেকে ট্রেন থেকে লাফ দেন৷ পরে রেলের মেইন্টেনেন্স বিভাগের আধিকারিকরা ও কর্মীরা পৌঁছে জেনারেটর বগি পরীক্ষার পর ফের গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা হয়ে যায়৷ কামারকুন্ডু জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর জন্য গাড়িটি গোবরা স্টেশনের কাছে প্রায় ৪০ মিনিট দাঁড়িয়েছিল৷
[আজব চোরের গজব নেশায় শোরগোল গলসিতে]
এর আগেও আচমকা চলন্ত ট্রেনের একটি কামরা থেকে গলগল করে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করায় তুমুল আতঙ্ক ছড়ায় এনজেপি-হাওড়া শতাব্দী এক্সপ্রেসে। বর্ধমানের মশাগ্রাম স্টেশনের কাছে চেন টেনে ট্রেন থামান যাত্রীরা৷ দুর্ঘটনাগ্রস্ত কামরাটিকে তখন ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেন রেলকর্মীরা৷ যদিও পরে নির্বিঘ্নেই হাওড়া স্টেশনে পৌঁছয় শতাব্দী এক্সপ্রেস৷ ভারতীয় রেলের কুলীন ট্রেনগুলির একটি শতাব্দী এক্সপ্রেস৷ এ রাজ্যেই শুধু নয়, দেশের বিভিন্ন রুটে চলে সম্পূর্ণ বাতানুকূল এই ট্রেনটি৷ ভাড়াও কম নয়৷ এনজেপি-হাওড়া শতাব্দী এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তুমুল আতঙ্ক ছড়ায়৷ আগুন লেগেছিল সি-১ কামরায়৷ যাত্রীদের হুড়োহুড়িতে চলন্ত ট্রেনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়৷ এই ঘটনার পরও যাত্রী নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে৷
