রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মে মাসে সরকার গঠনের পর জুনেই বহু মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তিন হাজার টাকা। পরপর ২ মাস টাকা পেলেও আগস্ট টাকা পাননি বলেই দাবি অধিকাংশের। স্বাভাবিকভাবেই কী হল তা বুঝতে পারছেন না কেউ। সকলেরই প্রশ্ন, বন্ধ হয়ে গেল না তো প্রকল্পটি? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
জানা গিয়েছে, প্রথমমাসে বিশেষ যাচাই না করেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ছেড়ে দিয়েছিল সরকার। কারণ দ্রুত প্রকল্প চালু করাই ছিল লক্ষ্য। পরবর্তীকালে আবেদন করলেও জুলাইয়ে বহু মহিলা যোগ্য হয়েও টাকা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। তারপরই ঝাড়াই-বাছাই পদ্ধতিতে বিশেষ নজর দিয়েছে সরকার। সূত্রের খবর, বর্তমানে ভেরিফিকেশনের কাজ করা হচ্ছে। সকলের নথি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রয়োজনে আবেদনকারীর বাড়িতেও যাচ্ছেন আধিকারিকরা। ফর্মে দেওয়া তথ্য সত্য কি না, তা চাক্ষুষ করছেন তাঁরা। উদ্দেশ্য, যাতে অযোগ্য কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা না পান। আর সেই কারণেই অধিকাংশ আবেদনকারী স্টেটাস চেক করলে দেখতে পাচ্ছেন 'আন্ডার এনকোয়ারি'।
জানা গিয়েছে, টাকা পাওয়ার জন্য ফর্মে যারা ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিয়েছেন, আয় বা সম্পত্তি সংক্রান্ত তথ্য ভুল দিয়েছেন তাঁরা আর পাবেন না তিন হাজার টাকা। যদি প্রথম ২ মাস ভুল তথ্য দিয়েও টাকা পেয়ে থাকেন, তাতেও নিশ্চিন্ত হওয়ার কোনও কারণ নেই। এই ধরণের ক্ষেত্রেও আর মিলবে না টাকা। তবে আপনার আবেদন পত্রে যদি কোনও সমস্যা না থাকে, তাহলে চিন্তার কোনও কারণ নেই, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তিনহাজার টাকা পেয়ে যাবেন আপনি।
