বাম জমানার শেষ দিকে উত্থান। তৃণমূল জমানায় মাদকের ব্যবসা করে ফুলে ফেঁপে উঠেছিল ব্যবসায়ী সোফিক লস্কর ওরফে পিন্টু। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিল তার এজেন্টরা। মাদক আইন মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের নজরে ছিল পিন্টু। কিন্তু হদিশ মিলছিল না। অবশেষে গ্রেপ্তার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারি শরিফের 'হেরোইন সম্রাট'। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে বেশ কয়েকটি অস্ত্র।
কয়েক দশক ধরে চলছিল কোটি কোটি টাকার এই ব্যবসা। এলাকার যুবকদের এই ব্যবসার কাজে ব্যবহার করত পিন্টু। পরবর্তীকালে গোটা বাংলায় জাল ছড়িয়ে ফেলে সে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাশাপাশি কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলিতেও ছিল তার এজেন্ট। নির্ধারিত সময়ে তাঁদের মারফতই পৌঁছে যেত হেরোইন। দীর্ঘদিন ধরেই কার্যত খোলাখুলি এই ব্যবসা চালিয়েছে পিন্টু।
ঠিক কী অভিযোগ এই পিন্টুর বিরুদ্ধে? প্রথমদিকে মুর্শিদাবাদ থেকে হেরোইন তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল নিয়ে এসে ঘুটিয়ারি শরিফে তা বিক্রি করত সে। কয়েক দশক ধরে চলছিল কোটি কোটি টাকার এই ব্যবসা। এলাকার যুবকদের এই ব্যবসার কাজে ব্যবহার করত পিন্টু। পরবর্তীকালে গোটা বাংলায় জাল ছড়িয়ে ফেলে সে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাশাপাশি কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলিতেও ছিল তাঁর এজেন্ট। নির্ধারিত সময়ে তাঁদের মারফতই পৌঁছে যেত হোরোইন। দীর্ঘদিন ধরেই কার্যত খোলাখুলি এই ব্যবসা চালিয়েছে পিন্টু। কোটি কোটি টাকার বাড়ি-গাড়ি, সম্পত্তি মালিক হয়েছে সে। পুলিশের নজর পড়তেই এলাকা ছাড়ে পিন্টু। তবে তার ব্যবসা চলছিল রমরমিয়ে। পরবর্তীকালে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার ক্যানিংয়ের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মোত্তাকিনুর রহমান, জীবনতলা থানার ওসি ত্রিদিব মল্লিক, ঘুটিয়ারি ফাঁড়ির ওসি তুহিন মণ্ডল এবং অফিসার শুভঙ্কর করণের নেতৃত্বে চলে অভিযান। রাতে গ্রেপ্তার করা হয় পিন্টুকে। গ্রেপ্তারের পর জেরায় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাকালতলা এলাকার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই অস্ত্রগুলি এলাকায় মাদক পাচার ও অন্যান্য অপরাধের কাজে ব্যবহারের জন্য মজুত করে রাখা হয়েছিল। ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত, কীভাবে চলত কাজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
