স্বামীর দাবি মতো টাকা দিতে রাজি হননি স্ত্রী! যার পরিণতি হল ভয়ংকর। রাগে স্ত্রীকে খুন করে খাটের নিচে দেহ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের ঘোলায়। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ জনকে।
জানা গিয়েছে, ঘোলা থানার অন্তর্গত লেনিনগর পেয়ারাবাগান এলাকার বাসিন্দা পূজা মণ্ডল। তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ঋষি হরিচাঁদের। অভিযোগ, এই বিয়ে কোনওদিনই সুখের ছিল না। বরাবরই টাকার জন্য স্ত্রীর উপর অত্যাচার করত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। এরই মাঝে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন পূজা। অভিযোগ, তাতেও টাকার দাবিতে অত্যাচারের পরিমাণ কমেনি। বুধবার সকালে সেই অশান্তি চরমে ওঠে। অভিযোগ, এদিন টাকা না দেওয়ায় অন্তঃসত্বা স্ত্রীকে গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে খুন করে স্বামী ঋষি।
এখানেই শেষ নয়। এরপর প্রমাণ লোপাটে দেহ লুকিয়ে ফেলে খাটের নিচে। এদিকে পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার ফোন করেও পূজার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। এতেই সন্দেহ হয় তাঁদের। ফলে তাঁরা সটান হাজির হয় মেয়ের বাড়ি। দরজা খুলে ঘরের ভিতর ঢুকতেই টের পান খাটের নিচে মেয়ের দেহ। সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় ঘোলা থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে পাঠায় ময়নাতদন্তের জন্য। মৃতের স্বামী, শাশুড়ি-সহ পরিবারের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব মৃতার পরিবারের সদস্যরা।
