shono
Advertisement
North Bengal

উত্তরবঙ্গের ক্ষুদ্র চা চাষিদের কেন্দ্রের পোর্টালে যুক্ত করা হোক, শুভেন্দুকে চিঠি বাগান মালিকদের

সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, অসমে চা চাষিদের 'ফার্মার রেজিস্ট্রি পোর্টাল' যুক্ত করা হয়েছে। তিনি ওই সিদ্ধান্তকে 'গেম চেঞ্জার' বলেও অভিহিত করেছেন।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:10 PM Jul 02, 2026Updated: 05:12 PM Jul 02, 2026

অসম সরকার ক্ষুদ্র চা চাষিদের 'ফার্মার রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে' যুক্ত করায় উত্তরের ক্ষুদ্র চা চাষিমহলে উচ্ছ্বাস। এবার একই দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হয়েছে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা টুইট করে জানিয়েছেন, অসমে চা চাষিদের 'ফার্মার রেজিস্ট্রি পোর্টালে' যুক্ত  করা হয়েছে। তিনি ওই সিদ্ধান্তকে 'গেম চেঞ্জার' বলেও অভিহিত করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তরের ছোট চা বাগানের মালিকরা 'ফার্মার রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল' ভুক্ত হলে কৃষকের পরিচয়পত্র মিলবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত সুযোগ উত্তরের প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র চা চাষি পাবেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুক্রবারই ফের উত্তরবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যাচ্ছেন বলে খবর। একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেই সংগঠনের তরফে সাক্ষাতের সম্ভাবনা থাকছে। 

Advertisement

রজত কার্জি বলেন, "উত্তরবঙ্গের প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের রুজিরোজগার জড়িয়ে আছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অসমের মতো ক্ষুদ্র চা চাষিদের 'ফার্মার্স রেজিস্ট্রি পোর্টাল' যুক্ত করলে এখানে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।"

কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিজয়গোপাল চক্রবর্তী বলেন, "অসম সরকার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে আমরা ওই দাবি জানিয়ে আসছি। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়ে অসম সরকারের মতো ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি।" কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান স্মল টি গ্রোয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বছরে প্রায় ৪২০ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়ে থাকে। তার মধ্যে ৭০ শতাংশ আসে প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগান থেকে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা রবিবার টুইট করে ছোট চা বাগান মালিকদের 'ফার্মার্স রেজিস্ট্রি পোর্টাল' ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত কেন 'গেম চেঞ্জার' সেটাও খোলসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, অসমের ছোট চা বাগানের মালিকরা এখন সরকারি ভাবে চাষির মর্যাদা অর্থাৎ 'আইডি কার্ড' পাবেন। এরফলে তারা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। ছোট চা বাগানের মালিকরা মিডলম্যানদের শোষণ থেকে মুক্তি পাবেন।

বিজয়গোপাল চক্রবর্তীর দাবি, এটা হলে একদিকে যেমন চায়ের গুণগত মান এবং উৎপাদন বাড়বে। তেমনই অন্যদিকে লোকসান কমবে। অন্যদিকে 'ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফোরাম অব স্মল টি গ্রোয়ার্স'-এর চেয়ারম্যান রজত কার্জি বলেন, "উত্তরবঙ্গের প্রায় ৫০ হাজার ছোট চা বাগানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের রুজিরোজগার জড়িয়ে আছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অসমের মতো ক্ষুদ্র চা চাষিদের 'ফার্মার্স রেজিস্ট্রি পোর্টাল' যুক্ত করলে এখানে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।" তিনি জানান, অসম সরকার প্রধানমন্ত্রী যোজনায় চা শ্রমিকদের চিকিৎসা, আবাসন থেকে পরিবারের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার অভূতপূর্ব কাজ হয়েছে। সেখানে বড় চা বাগানের শ্রমিকরা ২৮০ টাকা দৈনিক মজুরি পাচ্ছেন। রেশনের সঙ্গে এই মজুরি পান। অসমে চা বাগান বন্ধ হয় না। চা বাগান বন্ধ হলে সেটা সরকার নিয়ে নেয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement