শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: বিরামহীন বৃষ্টি। জলমগ্ন জলপাইগুড়ি শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলমগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের থাকার জন্য নিরাপদ জায়গায় বন্দোবস্তও করেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর পৌষালি দাস। দুর্গতদের কারও কোনও সমস্যা হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে ত্রাণশিবিরেই রাত কাটালেন তিনি।
শুক্রবার দুপুর থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি। জলপাইগুড়ি শহরে জল থইথই পরিস্থিতি। জলমগ্ন ১ ও ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের নিচ মাঠ ও পরেশ মিত্র কলোনি এলাকায়। করলা নদীর জল ঢুকে জলবন্দি হয়ে পড়েছেন পাঁচশো পরিবারের অন্তত দেড় হাজার বাসিন্দা। করলা নদীর জলস্তর বাড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েন তাঁরা। রাতের মধ্যে তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়। ত্রাণশিবিরে উপস্থিত ছিলেন খোদ কাউন্সিলর পৌষালি দাস।
[আরও পড়ুন: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপেন এয়ার থিয়েটারে মদের বোতলের স্তূপ, বসছে ২৬টি সিসি ক্যামেরা]
ত্রাণশিবিরে পুরসভার পক্ষ থেকে খাওয়াদাওয়া এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়। মেনুতে ছিল ভাত আর ডিমের ঝোল। জল না নামায় আপাতত ঘরে ফিরতে পারছেন না দুর্গতরা। দোমোহনী থেকে বাংলাদেশ সীমান্ত পর্যন্ত তিস্তায় জারি লাল সতর্কতা। শনিবারও ভারী বৃষ্টিতে ভেজে উত্তরবঙ্গ। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার থেকে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।
দেখুন ভিডিও:
