অর্ণব দাস, বারাকপুর: ধর্ম যার যার,বড়মা সবার! নৈহাটির বড়মার ট্যাগ লাইন এটাই। এবারের পুজোয় যেন, সেটাই সত্যি হতে চলেছে। শুধু নৈহাটি নয়, এবারের কালীপুজোয় বড়মা পূজিত হবেন রাজ্যের আরও পাঁচ জায়গায়। প্রত্যেক পুজোর উদ্যোক্তাই নৈহাটি বড়কালী পুজো সমিতির অনুমতি নিয়ে পুজোর আয়োজন শুরু করছেন। তবে এক্ষেত্রে একটাই নির্দেশ বড়'মার পুজো করতে হলে পালন করতে হবে একই নিয়ম, আচার, রীতি।
এনিয়ে নৈহাটি বড়কালী পুজো সমিতির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, "আমরাও চাই বড়মা পূজিত হোক সর্বত্র। তাই আমাদের সঙ্গে যাঁরা বড়মার পুজো করতে চান বলে যোগাযোগ করেছেন, সম্মতি দিয়েছি। শুধু একটা কথাই বলেছি, নৈহাটির বড়মার পুজোর নিয়ম, আচার মেনে পুজো করতে হবে। পুজোর সময় ভক্তদের দেওয়া সামগ্রী দান করতে হবে। আগামী সোমবার কালীপুজোর রাতে সাড়ে বারোটায় নৈহাটির বড়মার পুজো শুরু হওয়ার পরে সবাই পুজো শুরু করবে। সকলেই একই দিনে নিরঞ্জন করবে। তবে আমাদের বড়মার নিরঞ্জন হওয়ার পরে।"
বড়মার আদলে মূর্তি নির্মাণ। নিজস্ব ছবি।
অনুমতি নিয়ে পুজো হচ্ছে নিমতা থানা সংলগ্ন বিরাটির দাসনগর পঞ্চানন পল্লি পুজো কমিটি-সহ বরানগর, কলকাতার কলেজ স্ট্রিট, মালদহের খলিশানি ও শিলিগুড়িতে। সকলেই বড়মার সুউচ্চ প্রতিমা তৈরি করছেন। কলেজ স্ট্রিটের বড়মা প্রতিমা তৈরি করেছেন, নৈহাটির বড়মার প্রতিমা শিল্পী শুভেন্দু সরকার। বৃহস্পতিবার সকালে সেই প্রতিমা নৈহাটি থেকে রওনা হয়ে গিয়েছে। বিরাটির দাসনগর পঞ্চাননপল্লি পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাস জানিয়েছেন, "আমাদের পুজো ৭০ বছরের বেশি পুরনো। বড়মাকে নিয়ে ভক্তদের আবেগের কারণে গত বছর থেকে একই নিয়ম মেনে আমরাও বড়মার পুজো শুরু করেছি। গত বছরের মতো এবছরও নৈহাটির বড়মার মন্দির থেকে পাঠানো শাড়ি বিতরণ করা হবে।"
