অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর ফের সমুদ্রে মৃত্যু কলকাতার যুবকের। দিঘায় নিহত গিরিশ পার্কের যুবক তমোজিৎ পাকড়াশি। বছর বত্রিশের ওই যুবকের মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি নেপথ্যে রয়েছে বড় কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
গত ৫ আগস্ট, দিঘার মাইতিঘাটের কাছে নুলিয়ারা ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করেন। পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। যুবকের দেহের ছবি প্রতিটি থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে, আবার ওই যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল জলে ভিজে বিকল হয়ে যায়। তার ফলে প্রাথমিকভাবে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি তদন্তকারীদের। পরে যদিও যুবকের সিমকার্ড অন্য মোবাইলে লাগানোর বন্দোবস্ত করা হয়। তারপরই পরিজনদের ফোন পান। পুলিশ বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানায়।
তমোজিতের পরিবারের লোকজনের দাবি, ওই যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন। মাঝেমধ্যে এদিক ওদিক চলে যেতেন তিনি। আবার কয়েকদিন পর বাড়ি ফিরে আসতেন। তবে এবার আর ছেলে ফিরে না আসায় দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে। কোনও বিপদ হয়েছে, মন যেন কূ ডাকছিল পরিজনদের। তবে এমন ভয়ংকর ঘটনা যে ঘটে গিয়েছে, তা তাঁরা ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি। পুলিশের থেকে দুঃসংবাদ পাওয়ার পর পরিবারের লোকজন দিঘায় দৌড়ে আসেন। দেহ নিয়ে যান তাঁরা। নুলিয়াদের দাবি, দেহ উদ্ধারের সময় তমোজিতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। জলে ডোবার পর বোল্ডারে ধাক্কা লেগে মাথায় আঘাত নাকি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
