অরূপ বসাক, মালবাজার: প্রতিবেশী গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে দু’হাত কাটা গেল যুবকের। মালবাজার ব্লকের রাজাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ধলাবাড়ির ঘটনা। জানা গিয়েছে, মালবাজার ব্লকের রাজাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ধলাবাড়ির বাসিন্দা কাজিমুল ইসলাম (২৮) প্রতিবেশী গৃহবধূর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত ছিল।
[এক আসনে একাধিক প্রার্থী! হুগলিতে দলীয় কোন্দলে বিপাকে তৃণমূল ]
অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে কাজিমুল যখন বাইকে চেপে দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিল, সে সময় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে চা বাগানের কাছে তার পথ আটকায় ওই গৃহবধূর শ্বশুর নুরমুদ্দিন। প্রথমে বচসা, পরে দা দিয়ে এলোপাথাড়ি কাজিমুলকে কোপাতে থাকে নুর। পরপর দুই হাতেই দা দিয়ে কোপ দেয়। দু’টি হাতই কবজি থেকে ঝুলে পড়ে। এতেও রাগ মেটেনি নুরের। বউমার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগে কাজিমুলের মুখে এবং পিঠেও কোপাতে থাকে সে। কোনওমতে তার হাত ছেড়ে পালিয়ে একটি স্থানীয় এক বাড়িতে আশ্রয় নেয় কাজিমুল। এলাকার বাসিন্দারাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় কাজিমুলকে প্রথমে মালবাজারে ও পরে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করে। ঘটনাস্থলে আসে মালবাজার মহকুমার ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিশ।
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও কাজিমুল ও ওই গৃহবধূর অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে জলঘোলা হয়। কিন্তু গ্রামবাসীরা একত্রে বসে তার মীমাংসা করে। কিন্তু গতকাল রাতে গৃহবধূর শ্বশুর সেই পুরনো রাগে রেগে কাজিমুলকে আক্রমণ করে। তার সারা শরীরে ধারাল দা দিয়ে আঘাত করতে থাকে। পিঠেও কোপ দেয় বলে অভিযোগ। আহত কাজিমুলকে মালবাজার সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। নুরমুদ্দিনের কীর্তিতে উত্তেজিত হয়ে জনতা তার বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তার বাড়িতে। যদিও এলাকাবাসীর দাবি, হামলাকারীর বাড়ি গ্রামের লোকেরা ভাঙেনি। নুরমুদ্দিন নিজেই ঘরবাড়ি ভেঙে পরিবার নিয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি থমথমে। আহত কাজিমুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ক্রান্তি ফাঁড়ির পুলিশ।
[জরুরি ভিত্তিতে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি নয়, ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্যের আরজি খারিজ]
The post বউমার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক! রাগে প্রতিবেশী যুবকের দু’হাত কাটল শ্বশুর appeared first on Sangbad Pratidin.
