shono
Advertisement
Mamata Banerjee Niece Death

'আত্মঘাতী' মমতার ভাইঝি, উদ্ধার নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরিহারা বৃষ্টির ঝুলন্ত দেহ

রামপুরহাটের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দেহ।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:00 PM Sep 01, 2026Updated: 03:29 PM Sep 01, 2026

'আত্মঘাতী' প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইঝি (Mamata Banerjee Niece Death)। মঙ্গলবার দুপুরে রামপুরহাটের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগ, তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। জানা গিয়েছে, তিনি গত ৪,৫  বছর ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। চিকিৎসা চলছিল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানোয় গ্রুপ সি-র চাকরিটি হারিয়েছিলেন বৃষ্টি। সম্প্রতি বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা নিয়ে আরও হতাশায় ডুবে গিয়েছিলেন। এরপর আজ এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে স্বভাবতই অনেক প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। 

Advertisement

রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামারবাড়ি। তাঁর মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায় রামপুরহাটের ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন। তাঁরই মেয়ে বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। বৃষ্টি স্থানীয় এক স্কুলে গ্রুপ সি-র চাকরি করতেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরুর পর স্ক্যানারে আসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পেশ করা প্রমাণ অনুযায়ী, গ্রুপ সি পরীক্ষার ওএমআর শিটে ৯০ শতাংশই গরমিল ছিল। অর্থাৎ তাতে কারচুপি করে স্বজনপোষণের মাধ্যমে চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে দুর্নীতি করে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে উঠে আসে বৃষ্টির নাম। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার পর বৃষ্টি চাকরি হারান।

মঙ্গলবার দুপুরে কুসুম্বা গ্রামে বৃষ্টির নিজের বাড়ির দোতলার বারান্দায় গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রামপুরহাট থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বৃষ্টি আত্মহত্যাই করেছেন। কিন্তু কী কারণে এই পদক্ষেপ, তা অজানা। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে রামপুরহাট থানার পুলিশ। যদিও পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ৪-৫ বছর ধরে বৃষ্টি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। ইদানিং নিজের ঘরে প্রায় বন্দি থাকতেন। তাঁর এক আত্মীয়ের কথায়, ‘‘ও ডিপ্রেশনে ছিল, চিকিৎসা চলছিল। নিজের ঘরে একাই থাকত। আমাদের সঙ্গে বেশি কথা বলত না। আজ সকালেও ছিল নিজের ঘরে। আমরা কেউ আর বাইরে দেখিনি। তারপর তো শুনছি, গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। জানি না হঠাৎ কী ঘটে গেল।'' আরেক সূত্রে খবর, বৃষ্টির বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। তা নিয়ে ভারাক্রান্ত থাকতেন। সেই কারণেই আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও চাপ ছিল, এসব প্রশ্ন উঠছেই। গোটা ঘটনায় থমথমে কুসুম্বা গ্রাম।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement