একদিকে মা, অন্যদিকে বউ। আর মাঝখানে সাংসারিক জাঁতাকলে যুবক! প্রায় সব সংসারে কমবেশি অশান্তি তো হয়েই থাকে। কিন্তু এই ইস্যু যে অন্যরকম! বিডিও অফিসে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা না পেয়ে বিক্ষোভ চলছিল। সেই বিক্ষোভে সামিল হয়ে ওই যুবকও প্রতিবাদ, ক্ষোভপ্রকাশ করেন। তাঁর কথা শুনে ক্ষণিকের জন্য যেন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন বিক্ষোভকারীদের অনেকেই। এই সমস্যার তল কোথায়? সেই প্রশ্নও উঠেছে। কিন্তু ঘটনাটা কী?
নদিয়ার তেহট্ট ১ ব্লকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মপূরণ করেছিলেন প্রায় সব মহিলাই। রাজ্য সরকারের তরফে পাঠানো টাকা ব্যাঙ্কে ঢুকছে। তবে অনেকের ব্যাঙ্কে এখনও টাকা ঢোকেনি প্রথম মাসের। সেজন্যই দিন কয়েক আগে বিডিও অফিসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকার সাধারণ বাসিন্দারা। সেখানে এক যুবককেও বিক্ষোভ করতে দেখা গিয়েছে। ওই যুবকের বক্তব্যই একটি ভিডিও ক্লিপ আকারে সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে। যদিও সেই ভিডিও ও যুবকের বক্তব্যের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
ওই যুবককে বলতে শোনা গিয়েছে, "অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে বউ আবেদন করেছে, মা আবেদন করেছে। মায়ের টাকা ঢুকেছে। বউয়ের টাকা ঢোকেনি। এই নিয়ে তো সাংসারিক অশান্তি লেগে গিয়েছে। বউ বলছে, তুমি কীভাবে করে দিয়েছ? মায়ের ঢুকল, বউদির ঢুকল। কিন্তু আমারটা কেন ঢুকল না? প্রত্যেকের সংসারে এই নিয়ে অশান্তি চলছে।" ওই বক্তব্যকে সমর্থন করতেও দেখা গিয়েছে উপস্থিত অন্যান্যদের। দ্রুত এই সমস্যার সমাধানও চেয়েছেন ওই যুবক। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের বাড়ি তেহট্ট ১ নম্বর ব্লকেই। তবে তাঁর নাম-পরিচয়, বাড়ি সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। সাংসারিক অশান্তি বিষয়ে আর কোনও কথা বলতেও চাননি তিনি!
বিক্ষোভকারী মহিলাদের অভিযোগ, "যাঁরা এই প্রকল্পের টাকা পাওয়ার যোগ্য নন, তাঁদের অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। এমনকী এসআইআর ভেরিফিকেশনে যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল, তাঁরাও টাকা পাচ্ছেন! তাহলে আমরা কী অপরাধ করলাম? আমরা কেন বঞ্চিত হব?"
