রাম নবমীর মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ। ভাঙচুর, ইট বৃষ্টি। পরিস্থিতি সামলাতে রাস্তায় নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী, র্যাফ ও পুলিশ। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এলাকায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা ফুলতলা মোড়ের কাছে বেশ কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায়। আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।
প্রতিবছরের মতো এবারও রঘুনাথগঞ্জে রাম নবমীর শোভাযাত্রা বের হয়। এছাড়াও বিভিন্ন গ্রাম থেকে ছোট ছোট মিছিল যাচ্ছিল রঘুনাথগঞ্জের ম্যাকাঞ্জি পার্কের উদ্দেশ্যে। একটি মিছিল সিসাতলা এলাকায় পৌঁছলে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাধে। মিছিলকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ার অভিযোগও ওঠে। মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা।
অন্যদিকে, বড় শোভাযাত্রাটি শহর ফুলতলা মোড় সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছতে আবারও উত্তেজনা ছড়ায়। একদিকে চলতে থাকে ঢিল ছোড়াছুড়ি, অন্যদিকে মিছিল এগিয়ে যেতে থাকায় পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা ফুলতলা মোড়ের কাছে বেশ কয়েকটি ফলের দোকানে ভাঙচুর চালায়। আগুন লাগিয়ে দেয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনা স্থলে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।
এ প্রসঙ্গে বিজেপির উত্তর মুর্শিদাবাদ প্রাক্তন জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, “চক্রান্ত করে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে, মিছিলকে উদ্দেশ্য করে ঢিল ছুঁড়েছে এবং আমাদের কর্মীদের মারধর করেছে, তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।" জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম জানান, “প্রত্যেকবারের মতো ফুলতলা মোড়ে এই দিনে আমি উপস্থিত ছিলাম। যারা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। এই ধরনের ঘটনা কোনওদিনই বাঞ্ছনীয় নয়।”
