২০২২ সালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেছিলেন, "বিজেপি নেতারা তৃণমূলে আসার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে। দরজা খুলে দিলে দলটা উড়ে যাবে।" তারপর পেরিয়েছে চারবছর। কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি ২৮ বছরের দল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ এখন প্রশ্নের মুখে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের দরজা মন্তব্য মনে করিয়ে খোঁচা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বললেন, "বিজেপির তো দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা উঠে গেল।"
২০২২ সালে অভিষেকের মুখে শোনা গিয়েছিল, “খুব তো বলেছিল আব কি বার ২০০ পার! কী হল? সত্তরে থেমে গেল তো! বিজেপি নেতারা তো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূলে ঢুকবে বলে। আমি তো গেট বন্ধ করে রেখেছি। গেট খুললে তো সব উড়ে যাবে।” দিলীপ বললেন, "বিজেপির তো দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা উঠে গেল।"
২০২১ সালে বাংলা দখলের মরিয়া চেষ্টা করেছিল বিজেপি। মোদি-শাহ বারবার বাংলায় এসেছেন। তাঁদের মুখে শোনা গিয়েছিল, ২০০-এর বেশি আসনে জিতবে তাঁরা। কিন্তু ফলপ্রকাশের পর দেখা যায়, ৮০-ও পেরতে পারেনি তাঁরা। এরপরই অভিষেকের মুখে শোনা গিয়েছিল, “খুব তো বলেছিল আব কি বার ২০০ পার! কী হল? সত্তরে থেমে গেল তো! বিজেপি নেতারা তো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তৃণমূলে ঢুকবে বলে। আমি তো গেট বন্ধ করে রেখেছি। গেট খুললে তো সব উড়ে যাবে।” সেই সময় কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী দলবদলও করেছিলেন। কিন্তু সুখের সময় দীর্ঘস্থায়ী হল না। ছাব্বিশে পরাজয় শুধু নয়, ১ মাসের মধ্যে কার্যত উঠে গেল দল। তৈরি হল 'নতুন তৃণমূল'। তৃণমূল চুরমার হতেই খোঁচা দিতে ছাড়লেন না দিলীপ।
এদিন দিলীপ বলেন, "ভাইপো বলেছিল দরজা খুলে দিলে বিজেপি থাকবে না। আমাদের দরজা বন্ধ আছে তাতেই দলটার এই অবস্থা৷" এদিন ফিরহাদকেও নিশানা করলেন তিনি। বলেন, "হাকিম মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত হাত ধরলেন। হিন্দু ও মুসলিম সমাজকে উনি ধোঁকা দিয়েছে। নইলে হুমায়ন কবীর বেরলেন কেন।"
