নৈহাটির বড়মার মন্দিরে ভক্তদের ভোগ বিতরণে নয়া ব্যবস্থা! সপ্তাহে ৩দিন বসিয়ে ভোগ বিতরণ করবে মন্দির কমিটি। বসিয়ে ভোগ খাওয়ার প্রথা আগেও ছিল। তবে ইরান যুদ্ধে গ্যাস সিলিন্ডারের 'সংকট কালে' সেই নিয়মে ছেদ পড়ে। মাঝে তা ফিরিয়ে আনা হয়। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর মন্দির কমিটিরও পরিবর্তন হয়। তারপর ফের বন্ধ হয়ে যায় বসিয়ে ভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা। নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২ সেপ্টেম্বর থেকে আবার সেই পুরনো নিয়ম ফিরেছে।
সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মিলবে কুপন। প্রতিদিন আনুমানিক ৬০০-৭০০ জনকে ভোগ বিতরণ করা হবে। তা বসেও খেতে পারবেন ভক্তরা। পাশাপাশি চালু করা হয়েছে 'বড়মা নিঃশুল্ক চিকিৎসা কেন্দ্র'। আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের চিকিৎসার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মন্দির (Naihati Baroma Temple) কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি সপ্তাহের সোম, বুধ ও শুক্রবার ভক্তদের বিনামূল্যে ভোগ বিতরণ করা হচ্ছে। তার জন্য কুপন সংগ্রহ করতে হবে। সেটি বিনামূল্যেই মিলবে। সকাল সাড়ে ১০টা মন্দির চত্বর থেকে ভোগের কুপন দেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মিলবে কুপন। আগে আসলে আগে মিলবে, এই ভিত্তিতেই কুপন বিলি করা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রতিদিন আনুমানিক ৬০০-৭০০ জনকে ভোগ বিতরণ করা হবে। তা বসেও খেতে পারবেন ভক্তরা। নতুন মন্দির কমিটির মুখপাত্র, অনন্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, "২ সেপ্টেম্বর থেকে ভোগ বিতরণ শুরু হয়েছে। সপ্তাহের তিনদিন ভোগ দেওয়া হবে।"
ফের নতুন করে ভোগ বিতরণের পাশাপাশি চালু করা হয়েছে, 'বড়মা নিঃশুল্ক চিকিৎসা কেন্দ্র'। আগত দর্শনার্থী ও ভক্তদের চিকিৎসার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখপাত্র বলেন, "শুধু ভোগ বিতরণ নয়। দর্শনার্থীদের কথা ভেবে চিকিৎসা ব্যবস্থাও শুরু করা হয়েছে। বিনামূল্যে পরিষেবা মিলবে।" শুধু তাই নয়, অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে বড়মা মন্দির কর্তৃপক্ষের। নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর ভক্তদের জন্য একের পর এক পরিষেবা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে।
