সরকারের পালাবদল হতেই রাজ্যের মুকুটে নতুন পালক। কেন্দ্র ও রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের মধ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করা নিয়ে চুক্তি সই হল। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে টালবাহান ছিল। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে বাংলাতেই ডবল ইঞ্জিন সরকার। বিজেপি ক্ষমতায় আসার এক সপ্তাহ কাটতে না কাটতেই জাতীয় শিক্ষানীতি চালু।
শুধু তাই নয়, জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে চুক্তির পর এবার রাজ্যে পিএমশ্রী বিদ্যালয়ও! রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি স্কুলকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করে তোলাই জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য। এই চুক্তি বাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকে চাঙ্গা করবে বলেই আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল। তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু নিয়ে একাধিক বিতর্ক ছিল। দীর্ঘ টানাপোড়েন চললেও জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হয়নি রাজ্যে। তার বদলে বিকল্প রাজ্য শিক্ষানীতি তৈরি করেছিল তৃণমূল সরকার। ছাব্বিশের নির্বাচনের পর সম্পূর্ণ 'খেলা' ঘুরে গিয়েছে। জনতার রায়ে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন বিজেপির দখলেই এখন বাংলা। যার ফলস্বরূপ জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করাতে আর কোনও বাধাই রইল না।
কেন্দ্র ও রাজ্যের জাতীয় শিক্ষানীতি চুক্তি সই।
বাংলায় জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করা নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, "ডবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা পাচ্ছে বাংলার মানুষ। পিএমশ্রী স্কুল চালু হলে রাজ্য সরকারের স্কুলগুলিই বিশেষ অর্থ সাহায্য পাবে। জাতীয় শিক্ষানীতি চালু হলে স্কুলস্তর থেকে ছাত্রছাত্রীরা হাতে কলমে কাজ শিখবে। যা আগামীদিনের তাদের অনেক বেশি আত্মনির্ভর করে তুলবে।"
