shono
Advertisement
Bankura

'৪০ বছর ধরে বিজেপি করি', বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে চা-ও খেলেন না নীলাদ্রিশেখর!

শনিবার বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তরে মাঝপথেই তৃণমূল নেতাদের তুলোধোনা করে বেরিয়ে গেলেন বিজেপি বিধায়ক।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 07:31 PM Jul 11, 2026Updated: 07:31 PM Jul 11, 2026

জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা বৈঠকে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আলোচনা, হাতে হাত ধরে কাজ করতে রাজি। কিন্তু এক টেবিলে বসে চা? নৈব নৈব চ! শনিবার বাঁকুড়া জেলাশাসকের দপ্তরে জরুরি বৈঠকের মাঝপথে আপত্তি তুলে বেরিয়ে গেলেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়ক সাফ জানান, ‘‘যাঁরা আমাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন, জেলে ঢুকিয়েছে, তাঁদের সঙ্গে বসে চা খাওয়ার ছেলে আমি নই। কারণ আমি ৪০ বছর ধরে বিজেপি করি।" 

Advertisement

শনিবার বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণে বিজেপির বহু কর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে যাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, তাঁদের পাশে বসে চা খেতে খেতে বৈঠক তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে তিনি দলের সঙ্গে রয়েছেন। তৃণমূল বরাবরের রাজনৈতিক শত্রু। তবে কি কাজের জায়গাতেও এই শত্রুতা বজায় থাকবে? এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য বিধায়ক বললেন, ‘‘দলমত নির্বিশেষে জনসাধারণের কাজের জন্য আমরা হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলব। কিন্ত বৈঠকে বসে চা খেতে পারব না।''

বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের ডাকে শনিবার ষোড়শ অর্থ কমিশনের বার্ষিক পরিকল্পনা বৈঠক ছিল। তাতে জেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, জেলা পরিষদের সদস্য এবং সরকারি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। জেলার উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণে বিজেপির বহু কর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে যাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, তাঁদের পাশে বসে চা খেতে খেতে বৈঠক তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ, বিজেপির জন্মলগ্ন থেকে তিনি দলের সঙ্গে রয়েছেন। তৃণমূল বরাবরের রাজনৈতিক শত্রু। তবে কি কাজের জায়গাতেও এই শত্রুতা বজায় থাকবে? এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য বিধায়ক বললেন, ‘‘দলমত নির্বিশেষে জনসাধারণের কাজের জন্য আমরা হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলব। কিন্ত বৈঠকে বসে চা খেতে পারব না।''

বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার এই মন্তব্য ঘিরে জেলা রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। আদি বিজেপি বলে পরিচিত বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্য আবার অনেকে ভিন্নসুর দেখছেন। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ হবে না বলে আগাগোড়া বার্তা দেওয়া রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যর হাত ধরেই সম্প্রতি তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ দলে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের রাজ্যসভার প্রার্থীও করা হয়েছে। শমীকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ওই তিনজন অর্থাৎ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক 'ভালো তৃণমূল'। কিন্তু দলের আদি নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্ত এখনও ভালোভাবে মেনে নেয়নি। সেই অংশের প্রতিনিধি হিসেবেই কি নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন নীলাদ্রিশেখর? প্রশ্ন থাকছেই।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement