অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: জোড়া কালবৈশাখীতে লন্ডভন্ড হয়েছে শহর। শহরতলির অবস্থাও তথৈবচ। অন্ধকারে ডুবেছিল কলকাতা ও শহরতলির বহু জায়গা। তবে কোনও কোনও জায়গার অবস্থা এখনও শোচনীয়।সেরকমই হাল বেলুড়ে। জোড়া ঝড়ের পর প্রায় দেড় দিন পেরিয়েছে। এখনও কোথাও বিদ্যুৎ আসেনি। তো কোথাও পানীয় জলের তীব্র সমস্যা। এরই সুরাহা চেয়ে বিক্ষোভে বসলেন বেলুড়ের বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার রাতে বিধ্বংসী কালবৈশাখী ঝড়ের পর প্রায় দেড় দিন পার হতে চললেও কার্যত এখনও বিপর্যস্ত বেলুড়ের বহু এলাকা। কোথাও টানা বিদ্যুৎহীন দশা চলছে তো কোথাও আবার পানীয় জলের সমস্যা তীব্র হয়ে দেখা দিয়েছে। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ হল বেলুড়ে। স্থানীয় গিরীশ ঘোষ রোডের বাসিন্দারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
[ বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় গেলেন মেয়র ]
বাসিন্দাদের অভিযোগ, দেড় দিন পার হতে চলল অথচ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হল না। অবরোধ চলছে এখনও। কাজোরিয়া গার্ডেন কোয়ার্টারের বাসিন্দাদের অভিযোগ, “ঝড়ের পর থেকে গোটা এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। সিইএসসি-কে জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। অন্য জায়গায় বিদ্যুৎ এসে গেলেও বেলুড়ের এই অংশে এখনও লোডশেডিং। সিইএসসি ফোন ধরছে না। এদিকে পানীয় জলও পাচ্ছি না। বয়স্ক মানুষ থেকে শিশু সকলে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি না মানা হবে ততক্ষণ অবরোধ চলবে।” উল্লেখ্য এর আগে একই সমস্যা নিয়ে বুধবার রাতে বেলুড়ের পালঘাট ও ঘোষের লেনে দীর্ঘক্ষণ অবরোধ হয়।
[ মেটিয়াবুরুজ কাণ্ডে মেয়েকে ফেরত চেয়ে পুলিশের কাছে আরজি বাবার ]
কালবৈশাখীতে রাজ্যের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম নয়। আচমকা হামলায় কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে শহর। গাছ, বাড়ি পড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকজনের মৃত্যুও। কলকাতায় মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সাহায্যের ব্যবস্থা করেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।
