shono
Advertisement

Breaking News

Netaji Subhas Chandra Bose

জন্মদিনে নেতাজির মূর্তিতে পড়ল না মালা! দায় ঠেলাঠেলি প্রাক্তন ও বর্তমান কাউন্সিলরের, তুঙ্গে বিতর্ক

দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে মুন্নুরওয়াড়ি এলাকার শ্রী লক্ষম্মা মন্দিরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দেবতা রূপে পূজিত হন। অথচ রেলশহর খড়গপুরের তেলেগু অধ্যুষিত মথুরাকাটি এলাকায় নেতাজির একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তি শুক্রবার নেতাজির জন্মদিবসে অবহেলিত রইল।
Published By: Suhrid DasPosted: 08:37 PM Jan 23, 2026Updated: 08:37 PM Jan 23, 2026

দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে মুন্নুরওয়াড়ি এলাকার শ্রী লক্ষম্মা মন্দিরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দেবতা রূপে পূজিত হন। অথচ রেলশহর খড়গপুরের তেলেগু অধ্যুষিত মথুরাকাটি এলাকায় নেতাজির একটি মূর্তি শুক্রবার নেতাজির জন্মদিবসে অবহেলিত রইল। জন্মবার্ষিকীতে মূর্তিতে কেউ দিলেন না মালা। মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে নেতাজিতে কাউকে স্মরণ করতেও দেখা গেল না!

Advertisement

নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার দায়িত্ব কার? সেই নিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন ও বর্তমান কাউন্সিলের মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্বও সামনে এল। এই ঘটনার দায় কার? সেই নিয়ে ঠেলাঠেলি শুরু হয়েছে। একটি মালাও কেউ দিলেন না। অনাদরে সারাদিন নেতাজির মূর্তিটি পড়ে রইল। এই এলাকাটি খড়গপুর পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে। ফলে এই নিয়ে রীতিমতো শোরগোল শুরু হয়েছে শহরে। এই ব্যাপারে প্রাক্তন রেলকর্মী তথা সমাজসেবী সুন্দর রাও বলেন " কাজটি ঠিক হয়নি। অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে। এই কাজটি যাঁদের করার দায়িত্ব ছিল তাঁদের এর দায় নিতেই হবে।"

বর্তমানে এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বানতা মুরলি বলেন, "আমি জানি না ব্যাপারটা। আমি বাইরে রয়েছি। এটি হওয়া উচিত হয়নি। খুবই লজ্জার ঘটনা।" তিনি আরও বলেন, "আসলে এই নেতাজি মূর্তিতে মাল্যদান করা ও মূর্তি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছিলেন আগের কাউন্সিলর অঞ্জনা শাকরে। তিনিই এই কাজটি করতেন বলে আমি এর মধ্যে ঢুকতাম না।" অপরদিকে এই ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর অঞ্জনা শাকরেও দায় ঝেড়ে ফেলেছিলেন। তিনি বলেন, "আমি এখন আর কাউন্সিলর নেই। এটা দেখার দায়িত্ব ওই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরের।"

প্রসঙ্গত নিমপুরা রোডের ধারে মথুরাকাটি এলাকায় নেতাজির এই মূর্তিটি গড়ে তুলেছিলেন রেল শহর খড়গপুরের একসময়ের মাফিয়া ডন বাসব রামবাব! সেই বাম আমলে ২০০০ সালে তিনি যখন ফরোয়ার্ড ব্লকে যোগ দিয়েছিলেন, তখন রামবাবু এই মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করেন। পরে বাংলার রাজনীতিতে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। পরে কার্যত অনাদরে খোলা আকাশের নিচে মূর্তিটি পড়ে থাকত বলে অভিযোগ। ঝোপঝাড় তৈরি হয়েছিল মূর্তি ঘিরে। সেসময় শহরে শোরগোল শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অঞ্জনা শাকরে উদ্যোগ নিয়ে মূর্তিটির মাথার উপর একটি আচ্ছাদন তৈরি করেছিলেন। চারপাশের ঝোপঝাড় কাটা হয়। তবে অনাদর রয়েই গিয়েছে বলে অভিযোগ। আর এদিন একটি মালাও কেউ দিলেন না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement