shono
Advertisement
ED

বুদবুদের পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জনের বাড়িতে ইডি, হাজিরার তৃতীয় নোটিস দিয়ে তল্লাশি

ইডির হাতে ধৃত অবৈধ কয়লা কারবারি চিন্ময় মণ্ডলের সঙ্গে মনোরঞ্জনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের সূত্রে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে  মনোরঞ্জন।
Published By: Sayani SenPosted: 09:46 AM Mar 11, 2026Updated: 10:05 AM Mar 11, 2026

ফের পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিল ইডি। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাড়িতে অবৈধ বালি, কয়লা পাচারের সিন্ডিকেটদের মধ্যে মধ্যস্থতা ও প্রোটেকশন মানি নেওয়ার অভিযোগে হানা দিয়েছিল ইডি। ইডির হাতে ধৃত অবৈধ কয়লা কারবারি চিন্ময় মণ্ডলের সঙ্গে মনোরঞ্জনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের সূত্রে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে  মনোরঞ্জন। তারপর তাঁকে দফায় দফায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি ডেকে পাঠায়। তবে শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে হাজিরা এড়িয়ে যান মনোরঞ্জন।

Advertisement

সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ফের অ্যাকশন মোডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পুরনো একটি কয়লা পাচার মামলায় এর আগে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালায় ইডি। যা নিয়ে জোর বিতর্ক তৈরি হয়। মামলা গড়ায় হাই কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এরপরেই কলকাতায় এসে আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সারেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর রাহুল নবীন। যেখানে কয়লা, বালি-সহ একাধিক হেভিওয়েট মামলার বিষয়ে বিস্তারিত বৈঠক সারেন।

তারপরেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে গতি বাড়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইতিমধ্যে একাধিক ব্যবসায়ীকে জেরা করা হয়েছে। সেই সূত্রেই ৩ ফেব্রুয়ারি আসানসোলের রানিগঞ্জ ও জামুরিয়া-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়িতেই। দীর্ঘ তল্লাশিতে জামুরিয়ার ব্যবসায়ীর বাড়ির গুদামঘর থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা নগদ উদ্ধার করেন তদন্তকারী। তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেদিনই বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতেও তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। সেই মামলাতেই ইডির নজরে আসেন মনোরঞ্জন মণ্ডল। প্রথম ইডি হানার সময় মনোরঞ্জন বুদবুদ থানার ওসি ছিলেন। পরে তাঁকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে সরিয়ে দেওয়া হয়। বুধবার সিটি সেন্টারের সেপকোতে আরেক বালি কারবারি প্রবীর দত্তের বাড়িতেও অভিযান চালায় ইডি। প্রবীরের বাড়িতেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি হানা দিয়েছিল ইডি। জানা গিয়েছে, কয়লা পাচার মামলায় প্রোটেকশন মানি হিসাবে মোটা অঙ্কের লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়, কয়লা পাচারে মোটা অঙ্কের টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল বলেও দাবি তদন্তকারীদের। এই বিষয়েই আরও বিস্তারিত জানতে ওই পুলিশকর্তাকে জেরা করতে চান ইডি আধিকারিকরা। যদিও প্রতি সমনেই গরহাজির পুলিশ আধিকারিক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement