ফের ভূমিধসে অবরুদ্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (NH-10 Closed)। প্রবল বর্ষণের জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে সেভক কালী মন্দিরের কাছে ফের ধস নামে। যার জেরে শিলিগুড়ি থেকে গ্যাংটক ও কালিম্পংয়ে সোজা পথে যাতায়াত বন্ধ। পাহাড় থেকে মাটি ও পাথর গড়িয়ে পড়ায় রাস্তা বিপজ্জনক পরিস্থিতি হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় দু'দিকে দীর্ঘ গাড়ির লাইন, তীব্র যানজটে নাকাল দশা হয়েছে পথচারীদের। আটকে পড়েছে প্রচুর পর্যটকের গাড়ি।
এহেন পরিস্থিতিতে ছোট গাড়িগুলো দার্জিলিং জেলা পুলিশ গজলডোবা-করোনেশন সেতু-মংপং রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে। ভারী গাড়িগুলো গরুবাথান-মুনসং রুটে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
শিলিগুড়ি এবং সিকিমের যোগাযোগের অন্যতম 'লাইফ লাইন' ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। প্রত্যেকদিন কয়েকহাজার পর্যটক এই রাস্তা দিয়েই বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পৌঁছান। এমনকী স্থানীয়দের বাসিন্দাদের কাছেও এই রাস্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ধসের কারণে মাঝেমধ্যেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই রাস্তা। এরফলে যেমন বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষ এবং পর্যটকদের, তেমনই আর্থিক ক্ষতিও বাড়ছে। এরমধ্যেই আজ, বৃহস্পতিবার ফের ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নামায় রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সময়ের সঙ্গে বাড়ছে যানজট।
এহেন পরিস্থিতিতে ছোট গাড়িগুলো দার্জিলিং জেলা পুলিশ গজলডোবা-করোনেশন সেতু-মংপং রুট ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে। ভারী গাড়িগুলো গরুবাথান-মুনসং রুটে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু সেভক কালী মন্দিরের কাছে নয়, বুধবার রাতে ভূমিধস নেমে সিকিমের মেল্লি-জোরথাং রোড অবরুদ্ধ হয়েছে। সেখানেও বিপজ্জনক ভাবে পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে নামছে। সিকিম প্রশাসনের তরফে গাড়ি চালকদের সতর্ক করা হয়েছে। ভয়ঙ্কর ভূমিধস নেমেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের ২০ মাইল এলাকাতেও। এদিকে কামদং থেকে সিংথাম যাতায়াতের রাস্তা জলকাদায় তলিয়ে চলাচল অযোগ্য হয়েছে।
