অর্ণব দাস, বারাকপুর: উৎসবের আবহে মানসিক ভারসাম্যহীন মূক ও বধির কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল দত্তপুকুরের কোটরা-খরকি এলাকায়। অভিযুক্ত সাইফুল আলম গ্রেপ্তার হলেও পুলিশের বিরুদ্ধে প্রথমে ধর্ষণের অভিযোগ না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে পরিবার। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কোটরা-খরকি এলাকার বাসিন্দা বছর পনেরোর ওই কিশোরী রবিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। খোঁজ শুরু করলে সেদিন রাতে কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পীরগাছার বন্ধ একটি ইটভাটায় বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। খবর পেয়ে দত্তপুকুর থানার পুলিশ গিয়ে ওই নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছায় পরিবার।
স্থানীয়দের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে একজনকে সাইকেলে করে মেয়েটিকে নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ। পরে, সিপিএমের বিক্ষোভের জেরে চাপে পড়ে পুলিশ নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ দায়ের করে গ্রেপ্তার করে কদম্বগাছি এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্তকে।
যদিও, গাফিলতির অভিযোগ উড়িয়ে বারাসত জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) অতীশ বিশ্বাস জানিয়েছেন, অভিযোগ না নেওয়ার কথা সঠিক নয়। কদম্বগাছি ফাঁড়ির পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি যে সাইকেলে চাপিয়ে ওই কিশোরীকে নিয়ে গিয়েছিল, সেটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
পুলিশ আধিকারিকের দাবি, তদন্তে কোনও গাফিলতি নেই। বুধবার দুপুরে ধৃতকে বারাসত আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজত চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে।
