গেস্ট হাউসের আড়ালে দেহ ব্যবসা চালানোর অভিযোগ। আর তা ঘিরেই স্বাধীনতা দিবসের সকালে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল বসিরহাট শহরে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বসিরহাট থানার নৈহাটি মোক্তার বটতলা এলাকায় শহীদ দিনেশ মজুমদার রোডের পাশে ওই গেস্ট হাউস। আর সেখানেই দিনের পর দিন অবৈধভাবে এই কার্যকলাপ চলছিল। এদিন তা প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় মানুষজন বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। কড়া শাস্তির দাবি জানান। এদিকে ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বসিরহাট থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসার কারণে অনেককেই রাতে শহরে থাকতে হয়। সেই সুযোগেই গেস্ট হাউসগুলিতে অসাধু কারবার চালানো হচ্ছিল।
স্থানীয়দের দাবি, বসিরহাট শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মোক্তার বটতলা এলাকা। এই এলাকায় যেমন রয়েছে বসিরহাট জেলা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। তেমনই রয়েছে একাধিক বেসরকারি নার্সিংহোম, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং বিভিন্ন চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্র। প্রতিদিন বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য বসিরহাটে আসেন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকা এবং সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন এই সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা করাতে আসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসার কারণে অনেককেই রাতে শহরে থাকতে হয়। সেই সুযোগেই গেস্ট হাউসগুলিতে অসাধু কারবার চালানো হচ্ছিল।
এলাকার বাসিন্দাদের কথায়, গত কয়েকদিন ধরেই এলাকার গেস্ট হাউসগুলির উপর নজরদারি রাখা হচ্ছিল। অভিযোগ, গেস্ট হাউসের ব্যবসার আড়ালে সেখানে নিয়মিত দেহব্যবসার আসর বসত। এদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বসিরহাট থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষের থাকার সুবিধার কথা মাথায় রেখে গড়ে ওঠা ছোট ছোট গেস্ট হাউস গুলির একাংশে পর্যাপ্ত নজরদারির অভাব রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হোটেল বা গেস্ট হাউসের ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। তাঁদের দাবি, শুধু একটি গেস্ট হাউস নয়, শহরের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ছোট-বড় গেস্ট হাউসগুলির উপরও প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি করা প্রয়োজন।
