চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় বসিরহাট-২ ব্লকের বিবিপুর-বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় গোবরার ৩৪০ জন মুসলিম ভোটারের নাম ছিল বিচারাধীন। সোমবার সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হতেই দেখা গেল, বাদ পড়েছে সকলের নাম। এমনকী খোদ বিএলওর নামও ডিলিটেড! তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের তরফে সায়নী ঘোষের অভিযোগ, "বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে কমিশন যে কাজ করছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ।" এবিষয়ে কমিশন আশ্বাস দিয়ে বলছে, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। সেখানে রাজ্যের ৬০ লক্ষের নাম ছিল বিচারাধীনের তালিকায়। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বসিরহাট-২ ব্লকের বিবিপুর-বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় গোবরার ৩৪০ জন মুসলিম ভোটার। প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে বাদ পড়েছে ৩৪০ জনের নামই।
গতবছর অক্টোবরের শেষদিকে বাংলায় এসআইআর (West Bengal SIR) ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। সেখানে রাজ্যের ৬০ লক্ষের নাম ছিল বিচারাধীনের তালিকায়। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন বসিরহাট-২ ব্লকের বিবিপুর-বেগমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড় গোবরার ৩৪০ জন মুসলিম ভোটার। স্বাভাবিকভাবেই মনে করা হয়েছিল, অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে একটা বড় অংশের নাম উঠে যাবে। কিন্তু দেখা গেল, প্রথম দফার সাপ্লিমেন্টারি লিস্টে বাদ পড়েছে ৩৪০ জনের নামই। তালিকায় রয়েছেন খোদ বিএলও সফিউল আলমও।
এবিষয়ে সফিউল আলম বলেন, তিনি নিজে বিচারাধীনদের সমস্ত নথি দেখে আপলোড করেছেন। কিছু লোকের সমস্যা থাকলেও সকলের ছিল না। ফলে কেন ৩৪০ জনেরই নাম বাদ গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি নিজে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইআরও এবং এইআরও-দের জানানো হলেও তারা পদক্ষেপ করছে না। আবেদনকারীদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এবিষয়ে কমিশন বলছে, "আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। ২৩টি জেলার জন্য মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে, যেখানে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা দায়িত্বে থাকবেন। সঠিক নথি থাকলে কারও নাম বাদ যাবে না।"
