বিএলও-র পর মাইক্রো অবজার্ভার! ফরাক্কায় এসআইআরের (SIR in West Bengal) কাজে ইস্তফা দিলেন ৯ জন মাইক্রো অবজার্ভার। যার ফলে আজ, বৃহস্পতিবার এখনও শুনানি প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি। মাইক্রো অবজার্ভাররা না এলে শুনানি শুরু করা যাবে না বলে জানিয়েছেন বিডিও জুনায়েদ আহমেদ। চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার ভোটাররা।
এদিকে বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় কমিশনের নির্দেশে এফআইআর (SIR in West Bengal) করা হয়েছে। ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ফরাক্কার তৃণমূলের যুবনেতা। তাঁকে শ্বশুরবাড়ি ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে পাশাপাশি আজ, বৃহস্পতিবার বিডিও অফিসে পরিদর্শনে এসেছেন জঙ্গিপুর মহকুমাশাসক এস রেড্ডি। এলাকা ঘুরে দেখছেন তিনি।
এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। এই অভিযোগে, বুধবার ফরাক্কার বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানো হয়। ব্যাহত হয় শুনানি প্রক্রিয়া! পাশাপাশি কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ফরাক্কার প্রায় ২০০ বিএলও কাজ থেকে গণইস্তফা দেন। কিন্তু তাঁদের ইস্তফা গ্রহণ করেনি কমিশন। তারপরই ৯ জন মাইক্রো অবজার্ভাররা ইস্তফা দিলেন। ফলে এদিন শুনানি প্রক্রিয়া নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সকাল-বিকেল-রাত, প্রতিমুহূর্তে বদলে যাচ্ছে এসআইআর সংক্রান্ত নির্দেশিকা। যে তথ্য ভোটারদের থেকে চাওয়া হচ্ছে, তাতে অনেকের নাম বাদ পড়বে। এমনকী সন্তান ৪ জন থাকলেও ৬ জন দেখিয়ে শুনানিতে ডাক দেওয়া হচ্ছে! এই অভিযোগ তুলে বিএলও পদ থেকে গণইস্তফা দেয় মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা ব্লকে কর্মরত প্রায় দু’শো বিএলও। তারপর ইস্তফা দিলেন ৯ জন মাইক্রো অবজার্ভাররা। গোটা ঘটনায় হয়রানির শিকার সাধারণ মানুষ।
