সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাম জমানার থেকে তৃণমূলের আমলে রাজ্যে দুধের উৎপাদন অনেকটাই বেড়েছে। তবে এখনও চাহিদা পুরোপুরি মেটানো যায়নি। এই অভাব মেটাতে গ্রামাঞ্চলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে মেয়ে বাছুর দেবে রাজ্য সরকার। তবে বিরোধীদের অভিযোগ পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই সিদ্ধান্তর মাধ্যমে গ্রামের মানুষের মন পেতে চাইছে শাসক দল।
[খড়গপুরে ইন্টারলকিংয়ের কাজ, রবিবার ১২ ঘণ্টা বন্ধ দক্ষিণ-পূর্বের ট্রেন]
বিরোধীদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। মন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‘এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভোটের কোনও যোগ নেই। স্বনির্ভরতার জন্য গ্রামাঞ্চলে ছাগল, ভেড়া, হাঁস, মুরগি দীর্ঘদিন ধরে দেওয়া হচ্ছেয়। এবার মেয়ে বাছুর (গ্রামাঞ্চলে যাকে বখনা বলা হয়) দেওয়া হবে। বাছুর প্রতিপালনের মাধ্যমে দুধের ঘাটতি মেটানো যাবে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মহিলারা এই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। মানুষের যাতে রোজগার বাড়ে তার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বপনবাবু। ২০১১ সালে তৃণমূল আসার পর থেকে গ্রাম বাংলার মানুষের স্বনির্ভরতার দিকে নজর দেওয়া হয়। এর জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে উৎসাহ দেওয়া হতে থাকে। হস্তশিল্পের পাশাপাশি পশুপালন কেন গুরুত্বপূর্ণ তাও তাদের বোঝানো হয়। ২০১৫ সালে বর্ধমানে প্রাণীসম্পদ মেলায় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এই বিষয়গুলিতে জোর দিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরে রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মেয়ে বাছুর পেলে যেমন তারা দুধ বিক্রি করতে পারবেন, তেমন দুধের ক্রমবর্ধমান চাহিদা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করে প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর। তবে এধরনের বাছুর পেতে হলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে আবেদন জানাতে হবে।
[নিম্নচাপের ধাক্কায় দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বৃষ্টি, বর্ষণ চলবে আরও ২ দিন]
তবে বিরোধীরা এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক রং দেখছেন। তাদের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ভোটের আগে গ্রামবাংলার মানুষদের মন পেতে এই কাজ করছে সরকার।
The post গ্রামাঞ্চলে দুধের ঘাটতি মেটাতে বাছুর দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যের appeared first on Sangbad Pratidin.
