অর্ণব দাস, বারাসত: আর্থিক অনটনে দাম্পত্য অশান্তির জের নাকি অন্য কিছু? রবিবার সাতসকালে দম্পতির রহস্যমৃত্যু। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহের রুইয়া থানার বটতলা এলাকায় চাঞ্চল্য। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
বেশ কয়েকদিন আগে বছর পঁয়ত্রিশের পাপ্পু সাউয়ের সঙ্গে পূজার বিয়ে হয়। পাপ্পু পেশায় টোটোচালক। তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। প্রতিদিনের মতো রবিবারও মেয়ে ভোরবেলায় মামাবাড়িতে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর বাড়ি ফিরে সে ঘরে ঢুকে কার্যত হতবাক হয়ে যায়। দেখে মায়ের দেহ পড়ে রয়েছে। ভেসে যাচ্ছে রক্ত। কিছুটা দূরে ঝুলছে বাবার দেহ। হইচই শুরু করে সে।
[আরও পড়ুন: পুরী থেকে ফেরার পথে নয়ানজুলিতে বাস, জখম বাংলার বহু]
তার চিৎকার চেঁচামেচিতে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তাঁরা খবর দেন থানায়। পুলিশও খবর পাওয়মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। মৃত দম্পতির আত্মীয় সঞ্জয় সাউ জানান, দুজনের সম্পর্ক ভালই কিছু। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হয়, তেমনই হত। কেন এমন চরম পদক্ষেপ, তা স্পষ্ট নয়। রুইয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধানও কিশোর বৈদ্যও কার্যত হতবাক। স্ত্রীকে খুন করে স্বামী আত্মঘাতী হয়েছেন বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছেন তিনি।
দেখুন ভিডিও:
