অবশেষে জামিন পেলেন তনয় শাস্ত্রী। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে করা 'হেনস্তা' মামলায় তিনি এদিন জামিন পেলেন। তবে এখনই তাঁর জেলমুক্তি হচ্ছে না বলে খবর। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশকে হেনস্থার মামলাও রয়েছে। সেই ঘটনায় বিচারক আরও চারদিন তাঁকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১১ তারিখ ফের তাঁকে আদালতে তোলা হবে বলে খবর। মাঝের এই দিনগুলিতে তাঁকে বনগাঁ সংশোধানাগারেই থাকতে হবে বলে খবর।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে সেখানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ তনয়কে ধরার জন্য গিয়েছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেসময় পুলিশকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশকে প্রথমে বেগ পেতে হয়েছিল!
পুলিশকে 'হেনস্তা' ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেও মামলা হয় তনয় শাস্ত্রী ও ধৃত দু'জনের বিরুদ্ধে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। আজ, শনিবার সেই মেয়াদ শেষে ধৃতদের আদালতে তোলা হয়। অভিনেত্রী মিমির করা মামলায় এদিন জামিন পেলেন তনয়। তবে পুলিশকে করা হেনস্তায় জামিন মেলেনি। আরও চারদিন তনয় ও আরও দুই সঙ্গীকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে কোনওভাবেই এখনই জেলমুক্তি হল না তনয় শাস্ত্রীর।
