বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে তিন মাস। আর তার মধ্যেই দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। দুর্নীতি দেখলেই কড়া অ্যাকশনের হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিলেন শমীক। এমনকী রাজ্যের ২২ নেতাকে সাসপেন্ডও করা হয়েছে। এবার সাংগঠনের ভিতর থেকে দুর্নীতির আগাছা উপড়ে ফেলতে তৎপর রাজ্য বিজেপি। একাধিক জেলায় সাংগঠনিক রদবদলের পথে রাজ্য বিজেপি।
সূত্রের খবর, বেশ কিছু জেলায় বিজেপির সংগঠন এখনও মজবুত নয়। অথচ বেশ কয়েকটি জেলাতেই দলবিরোধী কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যেই মাথাচাড়া দিতে শুরু করেছে। এমনকী গা জোয়ারি করে টাকা আদায়ের মতো খবরও গেছে নেতৃত্বের কানে। আর এরপরই নড়চড়ে বসেছে দল। সব জেলাকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে গেরুয়াশিবিরের অভ্যন্তরে। স্থির হয়েছে প্রায় ১২টারও বেশি সাংগঠনিক জেলায় বদল আসতে পারে।
সূত্রের খবর, বিজেপির আভ্যন্তরীণ বৈঠকে একাধিক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণেই নেতৃত্বের হাতে উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে, যেখানে অশান্তি-শৃঙ্খলাভঙ্গের সমস্যা বেশি, সেখানে বিজেপির ভাল ফল হয়নি। সেখানে তৃণমূল জিতলেও এলাকার তাদের প্রভাব খুবই কম। সেই জায়গায় তৃণমূলেরই একদলকে সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিজেপির কেউ কেউ আর্থিক লেনদেনে জড়িয়ে পড়ছে বলে খবর আছে দলীয় নেতৃত্বর কাছে।
রাজ্যে পালাবদলের পর তিন মাসের মধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগ বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে। তবে দুর্নীতি জিরো টলারেন্সের যে বার্তা দিয়েছে দল, সেই নীতি অনুসরণ করে এবার জেলা নেতৃত্ব বদলের পথে হাঁটতে চান শমীকরা। আগেই বিজেপি থেকে ২২ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্তত ২৫০ জনকে শোকজ করেছে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি।
