শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ : লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণা হতেই ফের উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। সোমবার সকালে তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সিভিক ভলান্টিয়ার-সহ ২ জন। ঘটনার জেরে থমথমে এলাকা। মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী।
[ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত হোর্ডিং সরিয়ে দিল প্রশাসন]
জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে চোপড়ার লক্ষ্মীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাপাড়ায় এক পুলিশ কর্মীকে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট দিতে যাচ্ছিলেন মাসুদ আলম নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার। সেই সময় তাঁর পথ আটকায় কয়েকজন দুষ্কৃৃতী। অভিযোগ, ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে টানতে টানতে এলাকারই একটি ঘরে নিয়ে যায় তারা। সেখানে যুবককে মারধর করা হয় বলে সূত্রের খবর। বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলে জড়ো হন তৃণমূল ও কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকেরা। অভিযোগ, সিভিক ভলান্টিয়ার নিগ্রহের ঘটনা নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়ে দু’দলের কর্মীরা, চলে গুলিও। জানা গিয়েছে, ২ রাউন্ড ছড়ড়া গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার- সহ এলাকার এক বাসিন্দা। তাঁর নাম মহম্মদ হাসিব। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চোপড়া থানার পুলিশ। পুলিশের মধ্যস্থতায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। তবে এখনও থমথমে গোটা এলাকা। এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী। গুলিবিদ্ধদের ভরতি করা হয়েছে ইসলামপুর হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ মহম্মদ হাসিব এদিন রায়গঞ্জ থেকে ডাঙাপাড়ায় বাড়ি ফিরছিলেন । সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলি লাগে তাঁর পায়ে।
[ স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়াতে আপত্তি, গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর ]
স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, দুষ্কৃতী নয়, ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করেছেন তৃণমূল কর্মীরা, মারধরের পর গুলিও চালিয়েছে শাসকদলের কর্মীরা। কারণ, গুলিবিদ্ধ ২ ব্যক্তিই কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক। যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজনৈতক সংঘর্ষে বরাবরই উত্তপ্ত চোপড়া সহ উত্তর দিনাজপুরের বেশ কিছু এলাকা। নির্বাচন ঘোষণার সাথে সাথেই চোপড়ায় গুলি বোমার লড়াই শুরু হওয়ায় উদ্বিগ্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহল।
