নন্দন দত্ত, সিউড়ি: সিঙাড়া সঙ্গে চাটনি চেয়ে পাননি। এই 'অপরাধে' দোকান মালিক এবং কর্মচারীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। কাঠড়ায় বীরভূমের দুবরাজপুর পুরসঙার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। বর্তমানে পুলিশের জালে ওই কাউন্সিলর। মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার রাত আটটা থেকে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। যার জেরে দুবরাজপুর শহরে ইদের বাজারের আগে সমস্যায় পড়েন ক্রেতারা।

দুবরাজপুর পৌরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্মশানে কালী মন্দিরের পাশে কেশব দাস নামে এক ব্যবসায়ীর মিষ্টির দোকান রয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে সিঙাড়া কিনতে যান ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শেখ নাজিরউদ্দিন। সেখানে সিঙাড়ার সঙ্গে চাটনি চান কাউন্সিলর। দিতে পারেননি দোকানদার। অভিযোগ, তাতেই মেজাজ হারান কাউন্সিলর। অভিযোগ, ওই দোকান মালিক এবং তাঁর কর্মীকে মারধর করতে শুরু করেন কাউন্সিলর শেখ নাজিরউদ্দিন।
তারপরই স্থানীয় বাসিন্দারা রানিগঞ্জ মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের দুবরাজপুর থানার সামনে যানবাহন আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি, অভিযুক্ত কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে দুবরাজপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাতে নিজের চিকিৎসা করাতে গিয়ে কর্তব্যরত এক নার্সকে মারধরের অভিযোগ ওঠে নাজিরের বিরুদ্ধে। তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের স্নেহধন্য হওয়ায় অভিযুক্ত কাউন্সিলর বারেবারে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ। রাতে সদাইপুরে নাজির হোসেনকে আটক করা হয়। তবে কাউন্সিলরের গ্রেপ্তারের দাবিতে অনড় ব্যবসায়ীরা।