সোমনাথ পাল, বনগাঁ: দিলীপ ঘোষের মাথায় গোবর পোরা আছে। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে দিলীপ ঘোষের এনকাউন্টার প্রসঙ্গে বললেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কার্যত বিজেপির রাজ্য সভাপতির নাম না করেই একথা বলেন তিনি। রাজনীতি বড় বালাই। তা সে জন্মই হোক বা মৃত্যু। প্রমাণ মিলল হাতেনাতে। ঠাকুর বাড়ির অন্যতম প্রাণপুরুষ প্রমথ রঞ্জন ঠাকুর। ঠাকুরনগরের বাড়িতে তাঁর ১১৭তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল শনিবার। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে সেখানে রইলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এদিন তিনি বলেন, ‘একেবারে শুরু থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমাফিক ঠাকুরবাড়ির ভালমন্দে ছিলাম, আছি এবং থাকবও।’
[বাঁশঝোপে উদ্ধার গাড়িচালকের ক্ষতবিক্ষত দেহ, হরিণঘাটায় চাঞ্চল্য]
ঠাকুরবাড়ির মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে কটাক্ষ করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,’ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বিজেপির একার সম্পত্তি নয়। তিনি এই বাংলার মানুষ, তাই তাঁর জন্মদিন পালনের অধিকার সবার আছে।’ দিলীপ ঘোষের এনকাউন্টার প্রসঙ্গে জ্যোতিপ্রিয়বাবু বলেন, ‘যে সব নেতাদের মাথায় গোবর পোরা, যাদের শিক্ষা-দীক্ষার বালাই নেই তাদের নিয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না।’ এরপরই ঠাকুরবাড়ির বড়মা বীণাপাণি দেবীকে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন মন্ত্রী।
বলাবাহুল্য, প্রতিষ্ঠাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে এদিন ছিল লোকে লোকারণ্য। দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা উপস্থিত হন ঠাকুরবাড়িতে। এছাড়াও মতুয়া মহাসংঘের বর্তমান সংঘাধিপতি মমতাবালা ঠাকুরের উদ্যোগে সারাদিন ধরে নানা ভক্তিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। কংগ্রেস ছেড়ে সদ্য তৃণমূলে আসা বাগদার বিধায়ক দুলাল বরও ছিলেন এদিনের অনুষ্ঠানে। তবে ঠাকুর বাড়ির চৌহদ্দিতের কোথাও দেখা যায়নি ছোট ছেলে মঞ্জুল ঠাকুরকে। এমনকী, কোনও ভক্তের মুখেই শোনা যায়নি তাঁর নাম। ঠাকুর বাড়ির নাটমন্দির, মূল উঠোন কোথাও নেই মঞ্জুল ঠাকুর। বাড়ির ছোট ছেলের এই অনুপস্থিতিই রাজনীতির রণাঙ্গনে নতুন সমীকরণকে আরও দৃঢ় করল। এমনটাই মনে করছেন অনেকে। এদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষে পিআর ঠাকুর স্মৃতি মন্দিরকেও ফুল মালা দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।
[এবার দিঘার সমুদ্রে কোমর জলের বেশি নামলেই গ্রেপ্তার]
The post দিলীপ ঘোষের মাথায় গোবর পোরা, কটাক্ষ খাদ্যমন্ত্রীর appeared first on Sangbad Pratidin.
