রাজনীতিতে থাকলেও তিনি রাজনীতিবিদ নন। ছাব্বিশের ভোটে হেরে এই উপলব্ধির কথা জানালেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা দু'বারের বিধায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তিনি জানান, রাজনীতি করা আর রাজনীতিবিদ হওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এছাড়াও তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেন। ইন্দ্রনীল জানান, তিনি আর ভোটে দাঁড়াবেন না। চন্দননগরে হারের পর এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে এ-ও স্পষ্ট করে দেন, আগামীদিনে কী হবে তা তাঁর হাতে নেই।
ইন্দ্রনীল আরও জানান, বাংলার মানুষ তাঁকে গায়ক হিসেবে, শিল্পী হিসেবে চেনে। সেই মানুষই তাঁকে নির্বাচনে জিতিয়েছে। তৃণমূল তাঁকে যোগ্য সম্মান দিয়েছে। তিনি তা উপভোগ করেছেন। বিধায়ক হিসেবে তিনি মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন। কিছু কাজ করতে পেরেছেন, কিছু পারেননি। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কাউকে দোষারোপ করতে রাজি নন প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি আরও জানান, ভোট রাজনীতিতে তিনি আর থাকবেন না। কোনও নির্বাচনেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। ভোট রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।
ইন্দ্রনীল আরও জানিয়েছেন, শিল্পীরা খুব সেনসিটিভ হয়। অল্পেতেই তাঁরা হাসেন, আবার অল্পেতেই কেঁদে ফেলেন। আপাতত তিনি গান বাজনা নিয়েই থাকবেন। এছাড়াও লেখালিখির কিছু কাজ রয়েছে তাঁরা। আজকের দিন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত তাঁর। কিন্তু আগামীদিনে কী হবে তা তিনি নিজেও জানেন না।
উল্লেখ্য, টানা দুবার চন্দ্রননগরের বিধায়ক ছিলেন ইন্দ্রনীল। তৃণমূল সরকারের আমলে মন্ত্রীও হয়েছেন। তাঁকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যেত। কিন্তু ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছেন তিনি। এরপরই এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন ইন্দ্রনীল সেন।
