shono
Advertisement

ঘোলায় ‘খুন’ তৃণমূল কর্মী, প্রতিহিংসা নাকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের?

তৃণমূল কর্মীর দাদার উপরেও হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।
Posted: 03:31 PM Jan 01, 2024Updated: 03:33 PM Jan 01, 2024

অর্ণব দাস, বারাকপুর: প্রতিহিংসা নাকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের? তৃণমূল কর্মী খুনের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। বর্ষবরণের রাতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও থমথমে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলার বিলকান্দা পঞ্চায়েত ১ এলাকা। এই ঘটনায় জখম আরও এক।

Advertisement

নিহত অভিজিৎ বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলার বিলকান্দা পঞ্চায়েত ১ এলাকার বাসিন্দা। মা, স্ত্রী এবং তাঁর এক সন্তানও রয়েছে। চানাচুরের ব্যবসা করে সংসার চালাতেন অভিজিৎ। রবিবার রাত ১০টা নাগাদ তিনি বাড়ির সামনে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। পাশে ছিলেন তাঁর দাদা বিশ্বজিৎ বিশ্বাস। অভিযোগ, সেই সময় দুষ্কৃতীরা প্রথমে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের মাথায় আঘাত করে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এর পর অভিজিৎকে টার্গেট করে দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, রাস্তায় ফেলে ইট দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে।

[আরও পড়ুন: বছরের প্রথম দিনেই ৭.৫ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প জাপানে, শুরু সুনামিও]

পরিবারের লোকজন চিৎকার চেঁচামেচিতে জড়ো হয়ে যান। অভিজিৎকে উদ্ধার করে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার ভোর চারটের সময় তাঁকে মৃত বলে জানান চিকিৎসকেরা। প্রত্যক্ষদর্শী বিশ্বজিৎ বিশ্বাস জানান, মোট আট থেকে দশজন দুষ্কৃতী হামলা চালায়। যার মধ্যে তিনি বাদল, বলয়, অর্জুন, নীতিশ, রাজা ও বিজয় নামের দুষ্কৃতীদের চিনতে পারেন।

পরিবারের লোকজনের আরও দাবি, কালীপুজোর পরদিন থেকেই দুষ্কৃতীদের আক্রমণ বেড়েছে। চানাচুর কারখানা ভেঙে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। ঘোলা থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ কোনও আইনি পদক্ষেপ নেয়নি বলেই দাবি পরিবারের। নিহতের দাদার দাবি, পুলিশ ব্যবস্থা নিলে এই ধরনের ঘটনা ঘটত না।

[আরও পড়ুন: আগামীর লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মমতা-অভিষেকের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার